ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আপনি নিজেকে কিভাবে উপস্থাপন করছেন সেটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যারা ইন্টারনেট-ভিত্তিক মাধ্যমগুলোতে বেশ জনপ্রিয়। এক্ষেত্রে ইউটিউবের কথাই ধরা যাক।
অনেকে আছেন যাদের ভিডিও ইউটিউবে হাজার-হাজার কিংবা লাখ-লাখ মানুষ দেখছে। তারা দর্শকদের কাছে ইউটিউব স্টার হিসেবে পরিচিতি।
কিভাবে তারা ইউটিউব স্টার হয়ে উঠলেন? কেন তাদের ভিডিওগুলো হাজার-হাজার মানুষ ইন্টারনেটে দেখছে? আপনিও কি চাইলে ইউটিউব স্টার হতে পারেন?
এসব প্রশ্নের উত্তর আজকাল অনেকেই খোঁজেন।
আমেরিকার ইউটিউব স্টার জাস্টিন এসকালোনা মনে করেন, চাইলে ধীরে-ধীরে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন ইউটিউব স্টার।
শিকাগোতে বসবাসরত এ তরুণ বেশ কয়েকটি উপায় বাতলে দিয়েছেন যার মাধ্যমে আপনি ইউটিউবে জনপ্রিয় হতে পারেন।
ফেসবুকে অসতর্ক প্রেম, মেসেঞ্জারে নগ্ন ছবি, অতঃপর..
প্রথমত: ইউটিউবে ভিডিও তৈরির জন্য তিনি পুরো আমেরিকা ঘুরে বেড়িয়েছেন। প্রথম দেড় বছর তিনি যত জায়গায় গিয়েছেন সব জায়গায় তিনি ভিডিও করেছেন এবং সেগুলো ইউটিউবে আপলোড করেছেন।
দ্বিতীয়ত: যখন আপনি কোন ভিডিও তৈরি করতে যাবেন তার আগে আপনাকে ভাবতে হবে - কেন আপনি এটা করতে চাচ্ছেন?
আপনার যদি মনে হয় শুধু মজা করার জন্য আপনি এটা করেছন- তাহলে সেটা না করাই ভালো। আগে ঠিক করতে হবে এ বিষয়টিতে মানুষের আগ্রহ থাকবে কী-না।
তৃতীয়ত: আপনি যে ভিডিওটি করার সিদ্ধান্ত নেবেন সেটি অন্যদের চেয়ে কতটা আলাদা? এ বিষয়টি ভাবতে হবে। কারণ ইউটিউবে হাজার-হাজার ভিডিও আছে।
আপনি যদি ব্যতিক্রমী কিছু করতে না পারেন, তাহলে দর্শকরা সেদিকে আকৃষ্ট হবে না।
চতুর্থত: শুধু ভিডিও করলেই হবে না। ভিডিওটি মানসম্মত হচ্ছে কী-না সেদিকেও নজর রাখতে হবে।
ভালো করে ভিডিও সম্পাদনা করতে হবে। তারপর সেটি আপলোড করতে হবে। কোন রকম একটি ভিডিও করে দিলেই সেটি মানুষজন দেখবে না।
পঞ্চম : ইউটিউবে ভিডিও শুরু করতে ভয় পাবেন না । আপনি হয়তো মনে করতে পারেন যে আপনার দামী ভিডিও ক্যামেরা নেই, ভালো যন্ত্রপাতি নেই।
শুধু ভালো যন্ত্রপাতি থাকলেই ভিডিও জনপ্রিয় হয় না। আপনার কাছে থাকা