রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন ‘পবিত্র ভূমিতে হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের’ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে জামিয়া ইমদাদিয়ার শায়খুল হাদিস চাঁদ দেখা যায়নি, জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু মঙ্গলবার বরাদ্দকৃত অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশ ও জনগণের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী গণরায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: আমিরে মজলিস ‘হে কাবার মালিক! মক্কা-মদিনাকে হেফাজত করো’ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় প্রাণহানি, জমিয়তের শোক ও নিন্দা মালয়েশিয়ায় কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরাকে সংবর্ধনা দেবে সরকার

বিদ্রোহীদের মাথা কেটে নেওয়ার হুমকি এরদোগানের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়া ইসলাম : তুরস্কে ‘ব্যর্থ অভ্যুত্থানের’ প্রচেষ্টাকারীদের মাথা কেটে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তায়্যিব এরদোগান। শনিবার ‘ব্যর্থ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার’ প্রথম বর্ষপূর্তিতে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এরদোগান এ হুঁশিয়ারি দেন।

গত বছর ১৫ জুলাই তুরস্কের সেনাবাহিনীর একাংশকে রাজপথে ট্যাংক নিয়ে এবং আকাশপথে যুদ্ধবিমান নিয়ে অভ্যুত্থান ঘটানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়। ওই দিনের সংঘর্ষে কমপক্ষে আড়াইশ মানুষ নিহত হন। কথিত সেই অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা সফল হয়নি। অভ্যুত্থানকারীরা জনতার কাছে হেরে যায়। আটক করা হয় অসংখ্য মানুষকে। চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় হাজার হাজার কর্মকর্তা, কর্মচারীকে।

দিনটি উদযাপন করতে ১৫ জুলাইকে ‘গণতন্ত্র ও ঐক্য’ ঘোষণা দিয়ে তুরস্কে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। দিনটি উপলক্ষে শনিবার রাজধানী আঙ্কারায় এরদোগান সমর্থকরা র? র‌্যালি করেন। এদিন বসফরাস সেতুতে জমায়েত হওয়া সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণ দেন এরদোগান। এ সেতুতেই জনগণ অভ্যুত্থানের চেষ্টাকারী বিদ্রোহী সেনাদের মোকাবিলা করেছিল।

আর ব্যর্থ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার পর সেতুটির নাম দেওয়া হয়েছে জুলাই ফিফটিন মার্টায়ার’স ব্রিজ। ভাষণে সেখানেই তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো আর অভ্যুত্থানকারীরা আমাকে হঠিয়ে আমাদের সরকারকে ফেলে দিয়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করেছিল, তাদের এবার উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে। সব বিশ্বাসঘাতকেরই মাথা কেটে নেওয়া হবে। ’ ‘বিশ্বাসঘাতক’দের কেন মাথা কেটে নেওয়া হবে, তার কারণও দর্শিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।

এরদোয়ান বলেছেন, ‘১৫ জুলাইয়ের (২০১৬) আক্রমণই আমাদের দেশের বিরুদ্ধে প্রথম ষড়যন্ত্রের ঘটনা নয়। তুরস্ককে অতীতেও এমন অনেক অভ্যুত্থানের ঘটনা সামলাতে হয়েছে। ভবিষ্যতেও হবে। আর তাই আমরা এই বিশ্বাসঘাতকদের মাথা কেটে উচিত শিক্ষা দেব। আগামী দিনে এমন ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা হলে, তার পরিণতি কী হবে, তারই বার্তা দেব। ’  এদিকে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডের বিধান স্থগিত আছে।

এই ঘটনায় দায়ীদের বিচারের জন্য মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল করতে যে কোনো বিলে স্বাক্ষর করার কথাটিও পুনঃউচ্চারিত করেন তিনি। এরদোগান বলেন, ‘আমাদের রাষ্ট্রটি আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত। পার্লামেন্ট হয়ে আমার কাছে যদি বিলটি আসে তবে আমি তাতে স্বাক্ষর করব।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল করা হলে তুরস্ককে ইউরোপীয় ইউনিয়নে সদস্যপদ পাওয়ার আশা জলাঞ্জলি দিতে হবে। এদিকে ব্যর্থ ওই অভ্যুত্থানচেষ্টাকে কাজে লাগিয়ে প্রেসিডেন্ট তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও স্বার্থ হাসিল করছেন বলে দাবি এরদোয়ানবিরোধীদের। কারণ অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই বিরোধীদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালাচ্ছেন এরদোয়ান। এএফপি

-এজেড


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ