সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

‘ইন্টারনেটের অশ্লীল উপাদান দূর করা না গেলে ধর্ষণ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সম্প্রতি ধর্ষণ অতীতের সব মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। পাঁচ বছরের শিশু থেকে ৬৫ বছরে পৌঢ়া কেও রেহায় পাচ্ছে না পাশব ধর্ষকের হাত থেকে। এমনকি নিজের সন্তানও না। ধর্ষণের এমন ভয়াবহ প্রকোপ এবং আলেম সমাজের করণীয় সম্পর্কে বলেছেন জামিয়াতুস সুন্নাহ শিবচরের মাদারীপুরের মুহতামিম ও মাসিক আল জামিয়া’র সম্পাদক মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আতাউর রহমান খসরু।

আওয়ার ইসলাম :  পত্র-পত্রিকা খুললেই ধর্ষণের খবর। এমন বিকৃত মানসিকতা বৃদ্ধির কারণ কি?

মাওলানা আল ফরিদী : আল্লাহ তায়ালা পবিত্র ও নিরাপদ জীবনের জন্য দৃষ্টি অবনত রাখতে বলেছেন। পুরুষকেও বলেছেন, নারীকেও বলেছেন। আল্লাহ বলেছেন, নারী পুরুষ সবাই নিজ নিজ সীমানায় থাকবে। কিন্ত আমাদের শিক্ষা, সমাজ ও আইন সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর সীমা অতিক্রম করে যাওয়াকেই সাফল্য বলার চেষ্টা করছে। ফলে সমাজে বিশৃংখলা বাড়ছে।

তারা যে আজ ধর্ম ও নৈতিকতামুক্ত হওয়াকে আধুনিকতা বলছে সেটাই সমাজের জন্য কাল হয়েছে। এ আধুনিকতা ইউরোপ আমেরিকাকে ধ্বংস করেছে। সেখানে আজ সমাজ নেই, পরিবার নেই। মানুষের স্বাভাবিক জীবনের নিরাপত্তা নেই।

আওয়ার ইসলাম : আপনি বলছেন, শিক্ষা, সমাজ ও আইন সর্বত্র আল্লাহর সীমা লঙ্ঘনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। বিষয়টি একটু স্পষ্ট করুন?

মাওলানা আল ফরিদী : কবীর চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত সর্বশেষ শিক্ষা কমিশন শিক্ষাক্ষেত্রে মূলনীতি দাঁড় করিয়েছে ‘শিক্ষা হবে ধর্মহীন’। শিশুকে ধর্মের বন্ধনমুক্ত করা এখন রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ। একটি শিশুকে তার শৈশব থেকে যদি ধর্মহীনভাবে গড়ে তোলা হয়, তার জীবনে যদি পরকালীন জবাবদিহি না থাকে, নৈতিকতার বলয়ে সে যদি জীবন কাটাতে অভ্যস্ত না হয়, তাহলে  প্রবৃত্তির দাস পশুতে পরিণত হবে। এটাই স্বাভাবিক।

সহশিক্ষার বিষয়টিও বলা যেতে পারে। সহশিক্ষা শিক্ষাক্ষেত্রে নৈতিকতা ধ্বংস করছে। আমি মনে করি,  ক্লাস ফাইভ থেকে ছেলে-মেয়েকে পৃথক ব্যবস্থাপনায় শিক্ষা প্রদান করা উচিৎ।

আওয়ার ইসলাম : আমাদের মতো একটি স্বল্প আয়ের দেশের পক্ষে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনা