বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

কুরবানির মাসাঈল কিংবা ফাজাঈল নয় অন্য কিছু জরুরি বিষয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

খতীব তাজুল ইসলাম

যে কোন ইবাদত আল্লাহর খাস নিয়ামত। নামাজ রোজা হজ যাকাত এসবের মাঝে রয়েছে অফুরান রহমত ও বরকত। কিন্তু সামান্য অবহেলার কারণে একটি ইবাদত কখনো আজাবে রূপান্তরিত হয়ে যায়। দোষ ইবাদতের না, দোষ আমাদের দুর্বলতার। যেমন মসজিদে জামাতের সাথে নামাজ পড়া খুব সওয়াবের কাজ। কিন্তু কেউ যদি ময়লা কাপড়, দুর্গন্ধযুক্ত মুখ, তৈলাক্ত শরীর নিয়ে কাতারে দাঁড়ায় তখন আশে পাশের লোকের কী অবস্থা হবে? এজন্য ইস্তেঞ্জা এবং ভাল করে পবিত্রতা অর্জন ইসলামের মৌলিক একটি বিষয়।

হাদীস শরিফে এসেছে ‘পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ’। এই পবিত্রতার বিষয়কে শুধু অজু গোসল আর ইস্তেঞ্জার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করি। উন্নত বিশ্বে হাইজেনিক সতর্কতার ট্রেনিং দেয়া হয়। যারা ফুডের সাথে সম্পৃক্ত তাদের এই কোর্স করতেই হবে।

কুরবানি সম্পর্কীয় কিছু সতর্কতার বিষয় আলোচনা করবো। যাতে করে আমাদের ভাইয়েরা যারা মানুষের কাছে চামড়া কালেকশনে যাবেন তাদের সেই সুপরামর্শ দিতে পারবেন। এমনকি কোনো কোনো মাদরাসার পক্ষ থেকে লিফলেট আকারে তা ছাপিয়ে বিলি করলে আরো ভাল হয়। তাতে মানুষের মাঝে সচেতনতা যেমন আসবে তেমনি আলেম উলামা যে সমাজ সচেতন তাও সবার কাছে আবারও প্রতিভাত হবে।

কুরবানীর পশু বিষয়ক সর্তকতা
ক্রয়ের আগে নিশ্চিত হবেন যে পশুটাকে উপরি ওষুধ খাইয়ে বড় করানো হয়েছে কিনা? পশুর হাঁটা ও চলাফেরা এবং মুখের ফেনা দেখে বুঝতে পারবেন। এমনকি তার খাদ্যের প্রতি অনীহা দুর্বল অবস্থাও আপনাকে জানান দিবে। পশুর লেদায়ও প্রমাণ পেতে পারেন। তাই কোনো ক্রমেই এই রকম পশু নিজে খাবেন না অন্যকেও খেতে বারণ করবেন। কারণ তাতে কেন্সার আলসার কিডনি ডেমেজের ঝুকি প্রবল। চর্বিগুলো যথা সম্ভব ফেলে দিবেন।

অনেকে দুই থেকে তিনদিন আগে খরিদ করেন। তাতে ভাল মন্দ যাচাই করার সুযোগ থাকে। দেশীয় পশুকে প্রাধান্য দিতে ভুলবেন না।

পশু জবাইর আগে প্রস্তুতি
এ কাজটাই হলো মূল। পশু জবাইর আগে যা দরকার। ধারালো ছুরি। চামড়া খোলার জন্য মানানসই ধারালো ছুরি। হাড্ডি কাটার জন্য বড় দাও বা কুঠার। কাঠের টুকরো যার উপর হাড্ডি কাঁটবেন। বড় চাটাই। বা বাঁশবেতের বিছানা। কলাà