সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘ঘর নেই, খাবার নেই, বাথরুম নেই, গায়ে কাদা, চেহারায় আতঙ্ক, এ দৃশ্য সহ্য করার মতো নয়’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মিয়ানমার সরকারের জাতিগত নিধনের শিকার রোহিঙ্গা মুসলিমরা। জীবন বাঁচাতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। ধারণা করা হচ্ছে ইতোমধ্যেই ৫ লাখ মুসলিম আশ্রয় নিয়েছে টেকনাফে। যাদের অবস্থা খুবই নাজুক। খাবার নেই, নেই বিশুদ্ধ পানি। থাকার ঘর নেই। নামাজের জন্য নেই মসজিদ। অবস্থা পরিদর্শনে এবং সাহায্য নিয়ে সেখানে ছুটে যাচ্ছেন আলেম ওলামাগণ।

গতকাল অসহায় এ রোহিঙ্গাদের জীবন যাপন পরিদর্শনে গিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম। আওয়ার  ইসলামের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি জানতে আজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কান্নাজরিত কণ্ঠে রোহিঙ্গাদের করুণ অবস্থার বর্ণনা দেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আওয়ার ইসলামের বার্তা সম্পাদক আতাউর রহমান খসরু।

আওয়ার ইসলাম : বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি কেমন দেখছেন?

মুফতি ফয়জুল করীম : অমানবিক। দেখার মতো না। দৃশ্যপট সহ্য করার মতো না। খোলা আকাশের নিচে, থাকার ব্যবস্থা নেই, খাওয়ার ব্যবস্থা নেই, বাথরুমের ব্যবস্থা নেই, গায়ে ময়লা, কাপড়ে কাদা, চেহারায় ভয় ও আতঙ্ক, ক্ষুধা ও ক্লান্তির ছাপ, অনেক মানুষ বমি করছে, অসুস্থতার কারণে বেহুশ হয়ে রাস্তায় পড়ে আছে। না দেখলে বুঝবেন না। ভাষায় বলার মতো না … এ দৃশ্য কোনো মুমিন সহ্য করতে পারে না (এ পর্যায়ে তিনি আবেগি হয়ে পড়েন, কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে)

আওয়ার ইসলাম : আপনাদের দল (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) ওখানে কী ধরনের সহযোগিতা করছে?

মুফতি ফয়জুল করীম : আল হামদুলিল্লাহ! ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একদম শুরু থেকে অসহায় রোহিঙ্গা মুসলিমদের সহযোগিতা করে আসছে। আমরা মানবিক দৃষ্টি থেকে অসহায় মানুষের সাহায্য করা আবশ্যক মনে করি। তারপরও তারা মুসলিম। হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, মুসলিম মুসলিমের ভাই। সারা দুনিয়ার মুসলমান এক দেহেরে মতো। তাদের একজনের কষ্ট হলে অন্যজন স্থির থাকতে পারে না। সে হিসেবেই আমরা সাহায্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি। ইসলামী