আলেমদের প্রাচীন সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশে চলছে অস্থিরতা। এসব নিয়ে দলের নির্বাহী সভাপতি প্রবীন রাজনীতিক মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস ‘জমিয়ত সুরক্ষা’ নামে একটি কমিটি করেছেন।
গঠনতন্ত্র সংস্কার, নির্বাহী সভাপতির পদ বাতিল ও ভিন্ন দল থেকে নতুন কয়েকজন নেতার অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে চলা এ সংকট নিয়ে গত সপ্তায় আওয়ার ইসলামের সঙ্গে কথা বলেছেন দলটির মহাসচিব জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার প্রিন্সিপাল আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী।
একই বিষয়ে আজ প্রকাশ হলো নির্বাহী সভাপতি সাবেক মন্ত্রী মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাসের সাক্ষাৎকার।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আওয়ার ইসলামের সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব।
আওয়ার ইসলাম: জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের রাজনৈতিক দর্শনটা কি?
মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস: হজরত শাহ ওয়ালি উল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভি রহ. ও শায়খুল হিন্দ রহ. এর আদর্শ, চিন্তা-চেতনা ও দর্শন। এক কথায় বলতে গেলে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আকিদা-বিশ্বাসই জমিয়তের জমিয়তের রাজনৈতিক দর্শন।
আওয়ার ইসলাম: রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি কি?
মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস: আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের কথা বললাম। কারণ, সব জয়গায় তো ইসলামি রাষ্ট্রের দাবি করা যায় না। যেমন, ভারত ও ইংল্যান্ড জমিয়ত। তারা তো রাষ্ট্রের কথা বলতে পারবে না।
আওয়ার ইসলাম: আপনি ২৪ বছর জমিয়তের মহাসচিব ছিলেন। এ সময়ের সাফল্য ও ব্যর্থতা বৃত্তান্ত শুনতে চাই।
মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস: আমি প্রথমে জমিয়তে ছিলাম। পরে স্বতন্ত্র নির্বাচন করি। জমিয়তের মুরব্বিগণ পরামর্শ করে আমাকে যোগ দান করতে বলেন। তখন ১৯৯১ সালে আমি জমিয়তে যোগদানের পরপরই সারা দেশে সফর করে সংগঠনকে মজবুত করি। এরপর আরজাবাদে কাউন্সিল হয় এবং আমাকে মহাসচিবের দায়িত্ব দেয়া হয়।
জমিয়তের দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথমেই আমি জমিয়তকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেই। জমিয়তে ছাত্র ও যুব সংগঠন ছিলো না। আমি জাতীয় পার্টির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তা গঠন করি।
২০০১ নির্বাচনের আগে সারাদেশ সফর করে গণজাগরণ তৈরি করলাম। যদিও তা ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির ব্যানারে ছিলো।
জমিয়তের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহাসমাবেশের আয়োজন করেছি। ভারত ও পাকিস্তান সফর করলাম। দেশে-বিদেশে জাগরণ তৈরি হলো। বà¦