সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

বরাবরই আমি গতানুগতিক ধারা এড়িয়ে চলেছি : মিরাজ রহমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

তরুণ লেখক ও মিডিয়াকর্মী মাওলানা মিরাজ রহমান। প্রিয় ডটকমের প্রিয় ইসলাম বিভাগের এডিটর ইনচার্জ ও দৈনিক বাংলাদেশের খবরের ধর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।

সম্প্রতি মিরাজ রহমান রচিত হালাল ব্যবসা ও হালাল অর্থনীতির কথকতা গ্রন্থটি বেশ সাড়া জাগিয়েছে।

কেন তিনি এমন নতুন আঙ্গিকের নতুন একটি কাজ করলেন? কীভাবে শুরু হলো এবং কীভাবে শেষ? গ্রন্থটির সাতসতেরসহ ব্যক্তি মিরাজ রহমানের এই পথচলার নানা বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন আওয়ার ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক রোকন রাইয়ান।

আওয়ার ইসলাম : ৩৬০ পৃষ্ঠার ঢাউস সাইজের বই রচনার জন্মকথা ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু বলুন।

মিরাজ রহমান : লেখালেখি-সাংবাদিকতার শুরু থেকেই ইন্টারভিউ বিষয়টা আমাকে খুব টানতো। আমার মনে হতো- ইন্টারভিউ করার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য অর্জন এবং নানান অভিজ্ঞতায় সিঞ্চিত জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব।

ইন্টারভিউ করাকে প্রধান্য দিতে গিয়ে ভাবলাম, গতানুগতিকতার বাইরে গিয়ে কিছু করি- একাধারে যা হবে ইন্টারভিউ এবং হয়ে উঠবে ভিন্ন স্বাদের কনটেন্ট।

আওয়ার ইসলাম : হালাল ব্যবসা ও হালাল অর্থনীতির কথকতা শিরোনামে গবেষণাধর্মী কোনো রচনায় না গিয়ে ইন্টারভিউভিত্তিক আয়োজন কেন করলেন?

মিরাজ রহমান : বরাবরই আমি গতানুগতিক ধারা এড়িয়ে চলেছি। আমি চেয়েছি নতুন আঙ্গিকে নতুন ধারার কিছু একটা করতে। কারণ একই কাজ সবাই যেভাবে করে, সেভাবে করা বা করতে পারার মাঝে কোনো কৃতিত্ব আছে বলে আমি মনে করি না। তাই হালাল ব্যবসা ও হালাল অর্থনীতির কথাকথার নতুন অবয়ব দেয়ার চেষ্টা করেছি।

এছাড়া একটি গবেষণা জরিপের ফলাফলে আমি দেখেছি, গতানুগতিক ধারায় রচিত গ্রন্থের তুলনায় ইন্টারভিউ পড়ার প্রতি পাঠকের আগ্রহ তুলনামূলক বেশি। কারণ একটি ইন্টারভিউয়ের মাঝে ব্যক্তি জীবনের সফলতার গল্পের পাশাপাশি বাস্তবজীবনের অভিজ্ঞতার কথা যেমন উঠে আসে তেমনি ফুটে ওঠে নানামুখি দিক-নির্দেশনার কথাও।

মূলত এইসব কারণ বিবেচনায় রেখে আমি এই পথ ও পদ্ধতি অনুসরণ করেছি।

আওয়ার ইসলাম : বইটি তৈরি করতে গিয়ে কতদিন সময় লেগেছে?

মিরাজ রহমান : ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে এই আয়োজনের প্রথম ইন্টারভিউ করেà¦