সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


পোপের সফর : রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের কোনো সম্ভাবনা আছে কি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রকিব মুহাম্মাদ
আওয়ার ইসলাম

গতকাল সোমবার মিয়ানমার সফর শুরু করছেন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। বরাবর শরণার্থীদের পক্ষে সোচ্চার পোপ ফ্রান্সিসের জন্য এ সফর একটি বড় পরীক্ষা।অনেকেই আশা করছেন এই সফরে সব সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তির বাণী ছড়িয়ে ঐক্যের ডাক দেবেন পোপ ফ্রান্সিস৷

পোপ তাঁর বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের ‘রোহিঙ্গা’, ‘বাঙালি মুসলমান’ নাকি ‘অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী’ বলে সম্বোধন করেন, সেটার দিকেও তাকিয়ে আছেন অনেকে৷  মিয়ানমারের আর্চবিশপ পোপকে এই ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছিলেন রোম সফরের সময়৷

‘রোহিঙ্গা’ শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রেই মিয়ানমারের আপত্তি আছে এবং মিয়ানমারের কার্ডিনাল চার্লস মং বো শব্দটি ব্যবহার না করতে পোপকে পরামর্শ দিয়েছেন।

রোহিঙ্গারা নিজেরাও পোপ ফ্রান্সিসের মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সফরে ‘আশার আলো’ খুঁজছে রাখাইনে জাতিগত নিধনের শিকার রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গাদের পোপের সাক্ষাতের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত না হলেও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা আশা করছেন, পোপ তাদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার হবেন। তাদের নাগরিকত্ব ফিরে পেতে সহায়তা করবেন ও শান্তি ফিরিয়ে আনবেন।

৩৫ বছরের  রোহিঙ্গা নারী হামিদা বেগম বিশ্বাস করেন, পোপ তাদের সহায়তা করার জন্যই মিয়ানমার সফর করছেন। তিন মাস আগে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন তিনি। হামিদা বলেন, ‘তিনি (পোপ) আমাদেরকে মিয়ানমারে বৈধভাবে ফিরে যেতে সহায়তা করতে পারেন। এখান থেকে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে পারেন। অন্য কোনও দেশে নিয়ে যেতে পারেন। তিনি যা চান, তাই করতে পারেন।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পোপ ফ্রান্সিসের এই সফর মূলত কূটনৈতিক হলেও চলমান বাস্তবতায় এটি হবে তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।  বাংলাদেশ সফরে পোপ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন না। তবে তিনি রোহিঙ্গাদের ছোট একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ঢাকায় বৈঠক করতে পারেন।

সোমবার সকালে এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও। তিনি বলেছেন, ‘রোহিঙ্গাদের কথা যাতে পোপের কাছে পৌঁছায় সে জন্য চেষ্টা করছে আর্চবিশপ হাউস। পোপ শান্তির বার্তা নিয়ে বাংলাদেশে আসবেন। দরিদ্র, সুবিধা বঞ্চিত, শরণার্থীদের পক্ষে কথা বলবেন।’

এছাড়াও,  পোপ ফ্রান্সিসের মিয়ানমার সফর রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নিতে সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বà