বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

মোবাইল ক্ষতিকর, এটা স্মরণ করানো নির্বুদ্ধিতা না বিচক্ষণতা?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাকিব মুসতানসির
আলেম ও বস্ত্র প্রকৌশলী

বিজ্ঞানের কোন সাম্প্রদায়িকতা নেই এসব মুখরুচক বুলি আওড়ে মাথায় নরম হাত বুলিয়ে যাওয়া পিশাচের তপ্ত নিশ্বাসের নিচে যতক্ষণ না মুসলমানের মাথা ঠেকে ততক্ষণ হুশ ফেরার সম্ভাবনা শূন্যের কোটায় বলা চলে।

একটু কি বেশি বলে ফেললাম! না আমার কথা আপনার কাছে অতি কল্পনাপ্রসূত অতীব বাড়াবাড়ি যুক্ত বাক্যালাপ মনে হচ্ছে?

সহজ প্রশ্ন করে বসতে পাড়েন! বিধর্মীদের তৈরি বিমানে হজে যাই কেন বা ফেসবুক ইউটিউব কেন ব্যবহার করি? এই প্রশ্নের জবাব খুঁজার আগে আপনার উচিত ছিল আপনার মাথায় কেন এই প্রশ্ন জাগছে তা খতিয়ে দেখা।

যে প্রযুক্তির কৈশোর তারুণ্য কেটেছে মুসলমানের ঘরে যুবা বয়সের সেই প্রযুক্তি কেন কিভাবে মুসলমানের জাত শত্রুতে পরিণত হলো! আণবিক আবিষ্কার পৃথিবীকে এগিয়ে দিয়েছে কয়েক শতাব্দী অথচ এই আণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা বোমার ধ্বংস ক্ষমতা কতটুকু তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে তাকালে যুদ্ধের প্রায় শত বছর পরেও গা শিউরে উঠে।

নোবেল পাওয়ার জন্য আমাদের নেতা নেতৃদের লম্ফঝম্প চোখে পড়ার মতো অথচ এর পেছনে রয়েছে বিজ্ঞানের এক মহা অভিশাপের গল্প। পৃথিবীতে ডিনামাইট থেকে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ অন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে হয় নি।

বিমান দিয়ে হজে গমন সহজতর হয়েছে বলেই আনন্দে আঁটখানা হওয়ার কিছু নেই । এই বিমান দিয়ে আফগানিস্তান, কাশ্মীর, ইরাক, সিরিয়া, বসনিয়া, ফিলিস্তিনে লক্ষ লক্ষ টন বোমা নিক্ষেপ করে মিলিয়ন মিলিয়ন মুসলমান হত্য করা হয়েছে। হত্যা করা হয়েছে বৃদ্ধ, যুবক তরুণ কে। রেহাই পায়নি নারী শিশু এমনকি মায়ের পেটে থাকা মুসলমানের সন্তানও! বাড়িঘর মসজিদ মাদরাসা রাস্তাঘাট হাসপাতাল কিছুই রেহাই পায়নি বিজ্ঞানের হাত থেকে।

বিজ্ঞান আমাদের জন্য যতটা গড়েছে ঠিক ততটাই ধ্বংস করেছে। আমুসলিমের হাতে বিজ্ঞান বাঁদরের হাতে কোরাল থাকার মতো যার ব্যাবহার ঘুড়িয়ে ফিরিয়ে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে হচ্ছে। এই বাস্তবতা যতদিন মুসলমানের ঘরের সন্তানরা অনুধাবন করতে না পারবে ততদিন মুসলমানদের কপাল থেকে গোলামির নিশানা মুছবে না।

পৃথিবীতে মুসলমানরা বসবাস করছে সবচেয়ে নাযুক অবস্থায়। সংখ্যার দ্বিতীয় বৃহত্তম হওয়ার পরও প্রতিটি প্রান্ত