মুফতি আবদুল্লাহ মাসুম। বয়সে তরুণ। সৃজনশীল কাজ ও বহুমুখী বৈচিত্রতায় প্রবীণ। হাফেয, আলেম, মুফতিও ‘ইসলামি অর্থনীতিবিদ’। ইসলামি অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও আর্থিক কর্মকাণ্ডে হালাল-হারাম বিষয়ে গণ-সচেতনা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বহুদিন ধরে। আজকের একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব বিষয়ে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব।
আওয়ার ইসলাম: ইসলামি ব্যাংকিং, অর্থনীতি ও হালাল-হারাম বিষয়ে আপনি গণমুখী যে কাজ করে যাচ্ছেন, এ বিষয়ে একটু বলুন। কী চিন্তা থেকে এ কাজ শুরু করেছেন?
মুফতি আবদুল্লাহ মাসুম: একজন মুসলিম হিসেবে জীবনের সব ক্ষেত্রে ইসলামের হালাল-হারাম বিধি-বিধান মেনে চলা অপরিহার্য। বিশেষত আর্থিক কর্মকাণ্ডে এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি।
সহিহ হাহিসে দুআ ও ইবাদত কবুল হওয়ার জন্য হালাল গ্রহণকে শর্তারোপ করা হয়েছে।(সহীহ মুসলিম:১০১৫) অথচ দেখুন, আমাদের মুসলিম সমাজে এ বিষয়ে যথেষ্ট অবহেলা করা হয়। হয়ত নামাজ পড়ছে, কিন্তু সুদসহ নানা হারাম লেনদেনে জড়িয়ে আছে। ইসলাম ব্যাংকি করছে, তবে সঠিকভাবে করা হচ্ছে কম।
বকেয়া মূল্য পরিশোধের জন্যও মুরাবাহার আবেদন জমা হচ্ছে। মঞ্জুরও হচ্ছে। অথচ এটি মুরাবাহার নামে সুদী লেনদেন। তো কীভাবে মানুষকে হালাল-হারাম বিষয়ে সচেতন করা যায়, ইসলামি ব্যাংকিং বিষয়ে সঠিক ধারণা প্রদান করা যায়, সর্বোপরি দেশ ও জাতির কল্যাণ নিশ্চিত হয়- সেই চিন্তা থেকেই শুরু করেছি অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও হালাল-হারাম বিষয়ক গণকর্মসূচি-‘ইসলামী অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স কোর্স’ (আই.ই.এফ.সি)।
আওয়ার ইসলাম: ইসলামি অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স কোর্সটি কত দিনের? শিক্ষার্থীদের কি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়?
মুফতি আবদুল্লাহ মাসুম: কোর্সটি মূলত ৬ মাসের। ৩ মাস করে দুটি সেমিস্টার । আই এফ একাডেমি এন্ড কনসালটেন্সি নামে আমাদের একটি গভ. রেজিস্টার্ড ফার্ম আছে। বর্তমানে এর অধীনে উক্ত কোর্স পরিচালিত হচ্ছে।
সম্প্রতি সেন্ট্রাল শরীয়াহ্ বোর্ড ফর ইসলামিক ব্যাংক অব বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির ৪২তম সভায় উক্ত কোর্সকে অনুমোদন করা হয়েছে। কোর্স শেষà§