বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

মরনোত্তর দেহ দান,ইসলাম কী বলে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাহনূর শাহীন: আধুনিক পৃথিবীতে মরনোত্তর দেহ দান একটি আলোচিত স্বাভাবিক ব্যপার। অনেকেই মরার আগে বিভিন্ন মেডিকেলে কিংবা গবেষণাগারে নিজের দেহ দান করে যান।

অনেকে আবার শরীরের বিশেষ কোনো অঙ্গ যেমন চোখ, কিডনি ইত্যাদি অন্য কাউকে দান করার ঘোষণা দিয়ে যান। ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার গোটা দেহটাকে কাটাছেড়া করে গবেষণার কাজ করে গবেষকরা। কিংবা কোনো অঙ্গ অন্য কারো শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

প্রশ্ন হলো এভাবে মৃত্যুর আগে মরনোত্তর দেহ দান করা ইসলামে জায়েয আছে কিনা। এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়ত  কী বলে।

ফাতওয়ায়ে শামী’র দ্বিতীয় খন্ডের ২৪৫ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, মৃত্যুর পূর্বে দেহ বা চক্ষু দান করা জায়েজ নেই। কারণ ঐ ব্যক্তি তার দেহের মালিক নয়। না, মৃত্যুর আগে। না, মৃত্যুর পরে।

সুতরাং বুঝা গেলো, মরনোত্তর দেহ দান করা জায়েজ নেই। এমনকি মরনের আগেও নেই। কারণ মানুষ তার দেহের মালিক নিজে নয়। বরং এর মালিকানা কেবল আল্লাহ তাআলারই।

সুত্র: ফাতওয়ায়ে মাদানিয়া ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা ২৫৯।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ