শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘উচ্চাভিলাষী বাজেট অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলবে: শায়খে চরমোনাই কওমির ভাবমূর্তি রক্ষায় বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানগুলো যা করতে পারে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা প্রতিবন্ধী কিশোরী, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার ‘প্রযুক্তি খাতে প্রতি বছর ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে’ যুদ্ধ বন্ধের চুক্তির বিষয়ে ট্রাম্পের দাবি অস্বীকার করল ইরান দেশের ১০ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা ভারতে ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে অস্বীকার করায় ২ মুসলিমকে মারধর শরয়ি হালালা বনাম হালালা সেন্টার: আমাদের নৈতিক পরাজয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাখাতে ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব সপ্তাহের শেষেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি কার্যকর হওয়ার দাবি ট্রাম্পের

`দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখতে উলামায়ে কেরামের বিকল্প নেই'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : জামিয়া সাঈদিয়া কারীমিয়ার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন,  বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, মানবতা ও সমৃদ্ধিকে টিকিয়ে রাখতে হলে উলামায়ে কেরামের বিকল্প নেই। উলামায়ে কেরাম হলেন জাতির অতন্ত্র প্রহরী। তারাই দেশের বিরুদ্ধে, মানবতার বিরুদ্ধে, মানুষের বিরুদ্ধে যখন যে আগ্রাসন এসেছে সর্বাগ্রে নিজেরা মুকাবেলা করেছে এবং সকল জনতাকে জাগ্রত করেছে।

আজ ১৬ ডিসেম্বর দুপুর ৩ টায় রাজধানির ভাটারাস্থ জামিয়া সাঈদিয়া কারীমিয়ার মিলনায়তনে জামিয়ার সাংস্কৃতিক সংঘ ‘আন-নাদী আস-সাক্বাফী আল-ইসলামী’ কর্তৃক আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মাওলানা শেখ ফজলে বারী বলেন,  এদেশের স্বাধীনতার গোড়া পত্ত্বন করেছিলেন উলামায়ে কেরাম। উলামায়ে কেরামগণই ভারত উপমহাদেশ থেকে ইংরেজদের তাড়িয়ে ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালে এসেছে ভাষা আন্দোলনে বিজয়। ১৯৭১ সালে এসেছে স্বাধীনতা আন্দোলনে বিজয়। বাংলাদেশের মানুষ উলামায়ে কেরামের অবদান ভুলে গেলে চলবে না।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাংস্কৃতিক সংঘের পরিচালক মাওলানা রাকিবুল ইসলাম, মুফতী মাছউদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুর রশীদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের হাতে পুরুস্কার তুলে দেয়া হয়।

আরএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ