কাউসার লাবীব
২১ ডিসেম্বর আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টেফোর ডটকম আয়োজিত “মানবতার নবী হজরত মুহম্মদ সা. রোহিঙ্গা সঙ্কট : সঙ্কটে বাংলাদেশ” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর মুহাম্মদ আবদুল মান্নান মিয়াজী বলেন, আওয়ার ইসলাম অল্প সময়ে এতো সাড়া ফেলেছে দেখে আশ্চর্য ও অভিভূত হয়েছি। আওয়ার ইসলামের আমি উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করি।
তিনি বলেন, মিডিয়া বর্তমান সময়ে বিস্তর একটি বিষয়। মিডিয়া বর্তমান সময়ে একটি দেশ, একটি জাতি, একটি কমিউনিটির মূল শক্তি। কিন্তু আমরা এ শক্তি থেকে বড় একটি সময় ধরে দূরে ছিলাম। আওয়ার ইসলামের উপস্থিতির দ্বারা এর কিছুটা হলেও সঙ্কট ঘুচেছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন মিডিয়া আমাদের নিউজগুলো ছাপায় একরকম ব্যাঙ্গ করে, নেগেটিভ দৃষ্টিভঙ্গিই এর মধ্যে প্রাধাণ্য পায়। এর ফলে আমাদের সমাজের বিরাট একটা অংশের কাছে আমরা নেতিবাচক হিসেবে পরিচিত হচ্ছি। যার ফলাফল খুবই ভয়াবহ। যা আমরা আমাদের আশপাশে চোখ ফেরালেই দেখতে পাই।
বিশেষ করে আমি যেহেতু ভার্সিটি অঙ্গনে চলাফেরা করি, আমিই এর বেশি ভুক্তভোগী। ভার্সিটির ছেলেগুলো বিভিন্ন মিডিয়ার ভুলভাল সংবাদের কারণে ইসলামকে বাঁকা চোখে দেখে।
তারা আমার সত্য কথা, বাস্তব কথা ও মনের কথাগুলো শুনতেই চায় না। এর আগেই মুখ ফিরিয়ে নেয়। কেননা আমাদের কথাগুলো কোনও মিডিয়া বলে না।
তিনি বলেন, আজকে আওয়ার ইসলাম তার শিক্ষার্থীদের মাঝে সাংবাদিকতার সার্টিফিকেট প্রদান করেছে। আমি এ দৃশ্য দেখে এতটাই আবেগ আপ্লুত, যদি সুযোগ পেতাম আমি সংবাদ সাংবাদিকতা নিয়ে আবার লেখাপড়া করতাম।
কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করে আপনি যদি সুযোগ পান, তাহলে আপনি কী বিষয় নিয়ে লেখাপড়া করবেন, আমি একবাক্যে বলবো, ‘ সাংবাদিকতা নিয়ে পড়বো’।
আজ যারা সার্টিফিকেট পেয়েছেন, তাদের আমি অনুরোধ করবো, শুধু সার্টিফিকেট নিয়েই বসে থাকবেন না। আপনারা মাঠ পর্যায়ে তুমুলভাবে কাজ শুরু করুন।
আপনারাই একদিন আমাদের মিডিয়ার চিত্রকে বদলে দিবেন, হলুদ সাংবাদিকতাকে আপনারা সংবাদের জগত থেকে বিতারিত করে প্রতিষ্ঠা করবেন ন্যায় ও সত্যের মিডিয়া। আপনাদের পথচলা হোক মসৃণ ও সুন্দর।
আর আমি আশা করবো আওয়ার ইসলাম তাদের এ কার্যক্রমকে ধার