সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


কুরআন তেলাওয়াত হোক বিদআত মুক্ত!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আল্লাহ পাক কুরআনের শব্দ ও অর্থের পাশাপাশি এর নুত্বক বা উচ্চারণ পদ্ধতিও সংরক্ষণের ওয়াদা করেছেন । পবিত্র কুরআনের সূরাতুল হিজরে তিনি বলেন: إنا نحن نزلنا الذكر وإنا له لحافظون
অর্থ্যাৎ- আমিই এই কুরআন অবতীর্ণ করেছি, আমিই একে সংরক্ষণ করব ৷

কুরআনের এই সংরক্ষণবাণীর মাঝে শব্দ, নুত্বক ও অর্থ সবই অন্তর্ভুক্ত । এর কোনো কিছুতে কেউ কখনও কোনো অবস্থায় কোনো পরিবর্তন করতে পারবে না । সক্ষম হবে না একটি হরকতেরও বেশকম করতে ।

ঠিক যেভাবে যে উচ্চারণে যে পদ্ধতিতে যে কাইফিয়্যাতে যে লাহানে যে টানে জীবরীল আমীন রাসুলুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শিখিয়েছেন, পৌঁছিয়েছেন; হুবহু সেভাবে সে উচ্চারণে সেই যবর, যের, পেশ, সাকিন ও তাশদীদের সাথে কুরআন অপরিবর্তনশীল ও অপরিবর্ধনশীল থাকবে । এটিই হলো কুরানের মু'জিয হওয়ার সবচেয়ে বড় দিক ।

যখনই কেউ এর কোন বিষয়ে তাহরীফ করতে চেয়েছে তখনই উম্মতের উলামাদেরকে আল্লাহ পাক এদের মোকাবিলায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন । তাঁরা নিজেদের উজাড় করে দিয়ে কুরআন হেফাজতের কাজে আত্মনিয়োগ করেছেন । যার ফলেই সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন শাস্ত্রের ৷ ইলমের বিভিন্ন শাখার ।

কুরআনের এই সঠিক উচ্চারণ বা নুত্বক, যা রাসুলুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত জীবরীল আ. এর মাধ্যমে ধারণ করেছেন কেয়ামত পর্যন্ত সকল উম্মতের কাছে তা সঠিকভাবে পৌঁছে দিতেই একদল উলামা ইলমুত তাজভীদ শাস্ত্র চালু করেন ।

যাতে জিবরীল আমীন থেকে ধারণকৃত রাসুলুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঠিক কুরআনের উচ্চারণ, লিখা ও 'মুশাফাহাতুত তালেব আন শায়খিহী' এর মাধ্যমে উলামায়ে উম্মত একত্রিত করেছেন । কুরআনের মুতাওয়াতির শব্দাবলী ও কেরাতগুলোর সংরক্ষণের জন্য তাসনীফ ও কুররা তৈরির মাধ্যমে ইলমুল কেরাত শাস্ত্রের প্রারম্ভ করেন । ঠিক তেমনি কুরআনের অর্থ ও মর্ম অক্ষুণ্ণ রাখতে ইলমুত তাফসীরের উদ্ভাবন করেন ।

কুরআনের অন্যান্য প্রাসঙ্গিক, অপ্রাসঙ্গিক সকল শাখায় জীবরীল আমীন থেকে রাসুলুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ধারণকৃত সঠিক বিষয়গুলোর সংরক্ষণ করণার্থে প্রত্যেক যুগেই একদল নিবেদিতপ্রাণ, ফনের খুটিনাটি সব বিষয়ের পারদর্শী আলেম তৈরীর পাশাপাশি 'উলূমুল কুরআন' নামক শাস্ত্র তারা প্রস্তুত করেন ।

বর্তমান ফেৎনা ও রসমের এ যমানায় হক্কানী আহলে ইলম উলামা হযরত এবং উলূমুল কুরআন ওয়াল কেরাত ওয়াত তাজভীদের কর্ণধারগণ প্রচলিত টানাটানি বা মাকামার মাধ্যমে কুরআন তিলাওয়াতের ব্যাপারে মানুষকে সতর্ক করে গ