মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী
লেখক-সম্পাদক, দার্শনিক আলেমে দীন, বহুভাষা, ইতিহাস, রাষ্ট্র ও সমাজতত্ত্ববিদ
এ বছর বিশ্ব ইজতিমায় দিল্লীর মাওলানা সা’দ সাহেবের আগমনকে কেন্দ্র করে যে বিশৃংখলা হলো, এর কোনো প্রয়োজন ছিল বলে মনে হয় না। আমার ধারণা এ জন্য কিছু মানুষের হঠকারিতাই দায়ী। তারা নিজেদের জেদ বহাল রাখার জন্য তাবলিগের বদনাম করেছেন, দীনদার মানুষের মনে কষ্ট দিয়েছেন, আলেমদের রাজপথে নামিয়েছেন, সা’দ সাহেবকে কষ্ট দিয়েছেন, তার কষ্ট ও লাঞ্ছনায় গোটা তাবলীগি সমাজ ও উলামায়ে কেরাম দুঃখ পেয়েছেন।
সা’দ সাহেবের এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার কথা ছিল না। তিনি হঠকারী কিছু লোকের দেখানো ভুল পথে পা বাড়িয়েই এমন বিতর্কিত ও বিপদগ্রস্থ হচ্ছেন। এসব অতি উৎসাহী লোকের কারণেই আজ আলেম সমাজ চরম বিরক্ত। মনে না চাইলেও এই মোবারক কাজটি রক্ষার জন্য তাঁরা ময়দানে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
যারা আল্লাহওয়ালা হাক্কানী-রাব্বানী আলেম ও মুখলেস দা’ঈ তাদের ভেতরকার মতান্তর সম্পূর্ণ দীনী ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে থেকেই সবসময়ই সুরাহা হয়ে থাকে। তাঁদের বিরোধ, বিসম্বাদ এমনকি পরষ্পরের যুদ্ধও হয়ে থাকে দীনের রূপরেখা অনুযায়ী।
নিজামুদ্দীনের সমস্যাও দীনী মেজাজে সমাধান হওয়া উচিত। এ বিষয়ে উলামায়ে দেওবন্দ ও বিশ্বের নানাদেশের উলামা মাশায়েখগণ চিন্তাভাবনা করবেন এবং যথারীতি এর সমাধানও বের করবেন। কিন্তু আমরা জানতে পেরে বিস্মিত হই যে, নিজামুদ্দীনে সমস্যা সমাধানে একধরনের ভাবগাম্ভীর্যহীন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
দুনিয়ার ক্ষমতা, মসনদ কিংবা চর দখলের মতো পরিবেশ নাকি মাওলানা ইসমাইল দেহলভী ও তার সুযোগ্য সন্তান মাওলানা ইলিয়াস রহ. এর স্মৃতি বিজড়িত দিল্লীর নিজামুদ্দীন মহল্লার বাংলাওয়ালী মসজিদে গত কিছুদিন যাবত দেখা যাচ্ছে।
প্রায় শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এই দীনি জামাত যে নিষ্ঠা, লিল্লাহিয়্যত, নম্রতা ও মহব্বতের মধ্য দিয়ে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়কে বিগলিত করতো, হঠাৎ করেই এ জামাতের নেতৃপর্যায়ে কেন এমন রুক্ষতা, নিষ্ঠুরতা ও অবিবেচনাপ্রসূত আচরণ পরিলক্ষিত হচ্ছে তা শত চিন্তা করেও বুঝে আসে না।
তরুন নেতা, তাবলীগি পরিবারের সন্তান ও তাবলীগ জামাতের অন্যতম কেন্দ্রীয় মুরব্বী মাওলানা সা’দ সাহেব কেন বড়দের সাথে মà