সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘আলিয়া'র এক প্রিন্সিপালও চাকরি ছেড়ে নুরানী শিক্ষায় যুক্ত হয়েছেন’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নুরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ডের সূচনা হয় মূলত ১৯৮১ সালে।  তখন থেকেই এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন শায়খুল কুরআন আল্লামা কারী বেলায়েত হুসাইন রহ.। তার মৃত্যু হয় ২০১৬ সালের জুন মাসের ২৪ তারিখে। এর পরে কাজে ব্যপকভাবে মনোনিবেশ গ্রহণ করেন মাওলানা ইসমাইল বেলায়েত হুসাইন।

তিনি প্রাথমিক লেখাপড়া করেন বাবার কাছে নূরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ডের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে।  বাবার কাছেই তিনি হেফজ সম্পন্ন করেন। এর পরে ঢাকার জিঞ্জিরা রহমতপুর মাদরাসায় মাওলানা আবদুর রহমান রহ. এর কাছে পবিত্র কুরআনের হিফজ (শোনানো) সম্পন্ন করেন।

কিতাব বিভাগে পড়া শুরু করেন মাদরাসাতুল মাদীনাহ থেকে। আর দাওরা শেষ করেন ১৯৯৯ সালে মিরপুর ১৪ নম্বর দারুস সালাম মাদরাসা থেকে।

১৯৯৮ সাল থেকে তিনি নুরানী তালীমুল কুরআন বোর্ডের বিভিন্ন কাজের সাথে সম্পৃক্ত হন। কিন্তু পরিপূর্ণভাবে কাজ শুরু করেন ১৯৯৯ সালে দাওরা হাদিস শেষে।

মাওলানা ইসমাইল বেলায়েত হোসেন বর্তমানে নুরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ডের কেন্দ্রীয় কার্যলয়ের প্রধান। নুরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ডের মহাপরিচালক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটির মহাসচিবের দায়িত্বপালন করছেন।  নুরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ডের বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যত কাজের পরিকল্পনা সহ নানা বিষয় নিয়ে আলেচনা করতে তার মুখোমুখি হয়েছিল আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম। তার সঙ্গে কথা বলেন, ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ।

আওয়ার ইসলাম : নুরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ডের সূচনা সম্পর্কে কিছু বলুন?

মাওলানা ইসমাইল বেলায়েত হুসাইন : নুরানী তা’লীমুল কুরআন বোর্ডের সূচনা হয় মূলত ১৯৮১ সাল থেকে। শায়খুল কুরআন ক্বারী বেলায়েত হুসাইন রহ. এর সূচনা করেন। তিনি প্রথমে সারা দেশে হেঁটে হেঁটে কুরআন শিক্ষার কাজ করতেন। তখন হাফেজ্জী হুজুর রহ. তাকে খবর দিয়ে এনে বললেন, মানুষ তোমাকে খোঁজে কিন্তু আমি কোনো ঠিকানা দিতে পারি না। তুমি এক জায়গà¦