শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


সৌদি আরবে নির্বিচারে গ্রেফতারের প্রতিবাদে জাতিসংঘে প্রতিবেদন জমা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ শোয়াইব

৬০ জন রাজনৈতিক ও মানবাধিকার কর্মীর নির্বিচারে গ্রেফতারের জের ধরে সৌদি আরবের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যপদ স্থগিত করার জন্য জাতিসংঘের কাছে  আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক ব্রিটিশ অ্যাটর্নি জেনারেল ও হাউস অফ লর্ডস এর সদস্য লর্ড ম্যাকডোনাল্ড এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবী রডনি ডিকসন।

ব্রিটিশ আইনজীবীরা গ্রেফতারকৃতদের পরিবারের অনুরোধে তাদের সাক্ষের ওপর ভিত্তি করে এবং ব্রিটেনের মানবাধিকার সংস্থার সহায়তায় একটি প্রতিবেদন তৈরি করে জাতিসংঘে জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদনটির সারনির্যাস হলো, সৌদি আরবের সাম্প্রতিক গ্রেফতারগুলো ছিল প্রতিহিংসামূলক। গ্রেফতারকৃতদেরকে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়া ও সুস্পষ্ট কোনো অভিযোগ আনা ছাড়া গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। তাছাড়া গ্রেফতারকৃতদের অবস্থা সম্পর্কে তাদেরকে স্বজনদেরকে কিছুই জানানো হচ্ছে না। আইনজীবীগণ গ্রেফতারকৃতদের স্বাস্থ্য অবস্থা সম্পর্কে উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেন। যেমন সালমান আওদাহ, তাকে কিছু দিন আগে অসুস্থতার কারণে কারাগার থেকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। অথচ তার পরিবারকে তার স্বাস্থ্যগত কোনো কিছুই জানানো হয়নি।

যারা এই প্রতিবেদন করেন তাদের একজন হলেন লর্ড ম্যাকডোনাল্ড। ‍যিনি সাবেক ব্রিটিশ অ্যাটর্নি জেনারেল, হাউস অফ লর্ডস এর সদস্য ও মানবাধিকার আইন বিশেষজ্ঞ। আর আরেকজন হলেন রডনি ডিকসন। যিনি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার আইন বিশেষজ্ঞ। তারা দুজন মিলে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করে জাতিসংঘে জমা দিয়েছেন।

প্রতিবেদনটির সূচনা হয়েছে এভাবে যে, সৌদি আরব ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কিছু ব্যক্তিকে প্রতিহিংসাবশত গ্রেফতার করা শুরু করে। এই পর্যন্ত ৬০ জনের উর্ধে লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে বেশির ভাগই মানবাধিকার ও রাজনৈতিক সক্রিয় কর্মী।

আইনজীবীগণ বলছেন, তারা এই এই প্রতিবেদনটি জমা দিয়েছেন গ্রেফতারকৃতদের পরিবারের অনুরোধে। কেননা গ্রেফতারকৃতদের পরিবার চাচ্ছেন, তাদের স্বজনদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক কোনো আইন লঙ্গন হয়েছে কিনা? তাছাড়া সৌদি আরব তাদের স্বজনদের সঙ্গে যে আচরণ করছে তার বৈধতা কতটুকু? ইত্যাদি বিষয়গুলো জানতে।

তারা এই প্রতিবেদনটি তৈরি করতে যাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন