বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

আধুনিক তুরস্কের রূপকার সাঈদ নুরসিকে আমরা কতটুকু চিনি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ শোয়াইব
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাঈদ বদিউজ্জামান নুরসি। অনেকগুলো পরিচয় রয়েছে তার। তিনি একাধারে শিক্ষক, সংস্কারক, রাজনীতিবিদ, সুফি, ভবিষ্যৎ জাগৃতি ও প্রেরণার উৎস ও একজন সুন্নি মুসলিম ধর্মতাত্ত্বিক।

কিন্তু তার সবচেয়ে বড় পরিচয়, তিনি আধুনিক তুরস্কের রূপকার। আজকের তুরস্কের ভেতর থেকে এই বিশাল পরিবর্তনের নেপথ্য পুরুষ এই নুরসি।

নুরসির জন্ম ১৮৭৭ সালে। উসমানীয় সাম্রাজ্যের অন্তর্গত পূর্ব আনাতোলিয়ার বিতলিস ভিলায়েত প্রদেশের নুরস নামক কুর্দি গ্রামে তার জন্ম। কুর্দি বংশোদ্ভূত এই শিশুর নাম ছিল সাঈদ, মানে ভাগ্যবান। নুরসে জন্ম নিয়েছেন- তাই নুরসি। ‘বদিউজ্জামান’ তার সম্মানসূচক খেতাব। অর্থ, জামানার অনন্য পুরুষ। ইংরেজিতে বলা হতো ‘দি মোস্ট ইউনিক অ্যান্ড সুপিরিয়র পারসন অব দ্য টাইম’।

নিজ এলাকার পন্ডিতদের কাছে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করার পর তিনি ভান ভিলায়েতের গভর্নরের আমন্ত্রণে তার বাসগৃহে থাকতে শুরু করেন। এসময় গভর্নরের পারিবারিক গ্রন্থাগারে বসে তিনি প্রচুর পড়াশোনা করতেন। এখানে তিনি উসমানীয় তুর্কি ভাষা রপ্ত করেন।

ছোট থেকেই সাঈদ নুরসি ছিলেন স্বাধীনচেতা। ১০ বছর বয়স হতেই তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা জীবন শুরু হয়। অল্প বয়সেই ধর্মতত্ত্ব নিয়ে জ্ঞান অর্জন করেন তিনি। সুফি দর্শনে তিনি প্রচণ্ড প্রভাবিত হলেও সুফি তরিকায় পুরোপুরি যোগ দেননি। ছাত্র হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। কোনো বিষয় মুখস্ত করতে তার বেশি সময়ের প্রয়োজন হতো না।

মাত্র ১৪ বছর বয়সে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করা সাঈদ ধর্মতত্ত্বের উপর অগাধ পাণ্ডিত্য লাভ করেন। এ সংক্রান্ত যে কোনো বিতর্কে তার যুক্তিগুলো ছিল অখণ্ডনীয়। যা সে সময়ের আলেম সমাজকে বেশ অবাক করেছিল। এ কারণেই তাকে ‘বদিউজ্জামান’ উপাধি প্রদান করা হয়।

কুরআনকে যেভাবে তিনি আত্মস্থ করেছিলেন পৃথিবীর কম মানুষই তা পারে। কুরআন ছিল তার মন-মগজে। তিনি শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে চেয়েছিলেন কুরআনিক ধারায়। তিনি সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে যেমন ধর্মীয় শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছিলেন তেমনি ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটাতে চেযেছিলেন।

তার আবিস্কৃত বিশ্