শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিশ্বমঞ্চে মারকাযু ফয়জিল কুরআনের আরেক সাফল্য বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনের ডাক ধানমন্ডি তাকওয়া মসজিদে চলছে চার দিনের সিরাত অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখতে কাল বসছে কমিটি উত্তম কথায় ভালোবাসা বাড়ে, কঠোর ভাষায় শত্রুতা: মসজিদে নববির ইমাম ফরিদাবাদের প্রবীণ মুহাদ্দিসের ছেলে নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার ওমরাহ পালন শেষে অভিনেত্রী বললেন- ‘জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন’ ‘প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে প্রশাসনের ব্যর্থতা, বেকারদের সঙ্গে প্রহসন’ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি ভেবেচিন্তে, কোনো সংশয় নেই: আমিরে মজলিস প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় স্থগিত হওয়া যুব উন্নয়নের পরীক্ষা হবে ১৬ অক্টোবর

আমেরিকার উদ্দেশ্য তালেবানকে পরাজিত করা নয় : কারজাই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : আমেরিকার উদ্দেশ্য তালেবানকে পরাজিত করা নয় । তালেবানদের পরাজিত করার জন্য আমেরিকা আফগানিস্তান আসেনি বরং তারা এসেছে প্রতিদ্বন্দ্বী চীন, রাশিয়া ও ইরানকে মোকাবেলার জন্য। আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলেছেন। খবর পার্সটুডের।

বুধবার কারজাইয়ের দেওয়া ওই সাক্ষাৎকার ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত হয়েছে। কারজাই বলেন, আমেরিকা এখানে কোনো পক্ষ হতে আসেনি। অল্পকিছু তালেবানকে পরাজিত করার জন্য আফগানিস্তানে তাদের এতো ঘাঁটি প্রতিষ্ঠা করারও দরকার নেই। তারা এখানে এসেছে শুধু চীন, রাশিয়া ও ইরানের জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের এসব বড় প্রতিদ্বন্দ্বী আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশ এবং আমরা তাদের জায়গা দিয়েছি। আমরা তাদেরকে এখানে স্বাগত জানাই কিন্তু তারা যেন আমাদেরকে প্রতারণা না করে।

হামিদ কারজাই আরও বলেন, প্রতিদিন বহুসংখ্যক আফগান নাগরিক মারা যাচ্ছে। আফগানিস্তান একটি ছোট ও গরিব দেশ। আমরা আমেরিকাকে এসব বন্ধ করার কথা বলতে পারি না। কিন্তু এটা তো একটা দেশ এবং আমাদের স্বার্থের প্রতি তাদের অবশ্যই সম্মান দেখানো উচিত।

এর আগে হামিদ কারজাই উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটকে (আইএস) আফগানিস্তানে জড়ো করা ও তাদেরকে মদদ দেয়ার জন্য আমেরিকাকে অভিযুক্ত করেন।

২০০১ সালে তালেবানকে নির্মূল করার নামে আফগানিস্তানে সামরিক আগ্রাসন চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু দীর্ঘদিনের যুদ্ধেও তালেবানকে পরাজিত করতে পারেনি তারা। এতে স্বাভাবিকভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের সদিচ্ছা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ