আলেম ওলামায়ে কেরাম আমাদের সেরতাজ। তারা আমাদের প্রেম বিলান, জ্ঞান বিলান, আমাদের শেখান কল্যাণের বাণী। তাদের সহযোগিতায় দীন চিনি, ধর্ম চিনি, ভুলি হতাশার গ্লানী।তাদের ছোঁয়ায় আমরা পরিচিত হই সিরাতে মুস্তাকিমের সঙ্গে, তাদের দিকনির্দেশনায় আমরা রাঙি আল্লাহর রঙ্গে।
কিছু কিছু ওলামায়ে কেরাম শুধু নিজ দেশ ও দেশের জনগণকে প্রভু প্রেমে রাঙালেও আত্মত্যাগী ওলামায়ে কেরামের একদল পুরো বিশ্বকে রাঙাতে কার্পণ্য কিংবা অলসতার করেননি কিংবা করছেন না।
এই প্রেরণা থেকেই কখনো তারা মাতৃভুমির মায়া ত্যাগ করে ছুটে চলেন, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়ার জলস্রোতে, কখনো আফ্রিকার গহীন অরণ্যে ভালবাসার মিনার গড়তে কখনো আরবের মরুতে ফুল ফোটাতে, কখনো আমেরিকার উচ্চবিলাসী জীবনে সভ্যতার আলো জ্বালাতে।
আজ আমরা এমন একজন মানুসের সঙ্গে কথা বলবো। তার মনের আকুতি আবেগ আর ভালবাসার কথা জানবো যিনি প্রায় দুই যোগ আগে দীনের আলো বিলাতে নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছেন ১১.১৮৪ কি.মি দূরে সেই আমেরিকায়।
সেখানে তিনি হেরার আলো ছড়ানোর মাঝে খুঁজে নেন মায়ের ভালবাসা, ইসলামি সভ্যতা বিস্তারের মাঝে নেন বাবার আদর, মানুষকে জান্নাতের পথিক হতে সহযোগিতা করে খুঁজে নেন ভাইয়ের পরশ আর নারীর গায়ে পর্দার আভা দিয়ে খুঁজে নেন বোনের অকৃত্রিম মমতা।
এতক্ষণ যার কথা বলছিলাম তিনি শায়খ মাওলানা জামাল উদ্দীন। যিনি শরিয়াহ বোর্ড অব নিউ ইয়র্কের চেয়ারম্যান, বায়তুল হামদ ইনস্টিটিউট আমেরিকার শায়খুল হাদিস ও প্রিন্সিপাল।
আজ আমরা তার শৈশব থেকে নিয়ে আমেরিকা যাওয়ার গল্প, তার চিন্তা-চেতনা থেকে নিয়ে শিক্ষা-সংস্কৃতির নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশার কথাসহ অনেককিছুই তার নিজের মুখ থেকে জেনে আসবো।
কথপোকথনে শায়েখকে সঙ্গ দিয়েছেন আওয়ার ইসলাম প্রতিবেদক কাউসার লাবীব
শায়খ আপনি কেমন আছেন? দীর্ঘদিন ধরে তো আমেরিকায় থাকছেন হঠাৎ বাংলাদেশে এসে আবহাওয়ার সঙ্গে মেলাতে কষ্ট হচ্ছে না?
আমার জন্ম এখানে। এখানে মিশে আছে আমার নাড়ির বন্ধন। আমি বেড়ে উঠেছি এখানেই। তাছাড়া জীবনের সিংহ ভাগ তো আমি দেশেই কাটিয়েছি। তাই প্রিয় মাতৃভূমির আবহাওয়া আমার জন্য কোনোসময়ই প্রতিকূল হয় না।
দেশ