সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


ইসলামি হিজাব নারীকে দেয় ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদা : অস্ট্রিয়ার নওমুসলিম ফাতিমা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নানা গৌরবময় দিক ও বাস্তবতা বর্তমান বিশ্বের, বিশেষ করে বস্তুবাদীতায় বিতৃষ্ণ পাশ্চাত্যের অনেক সত্য-সন্ধানী মানুষের মনের চোখ খুলে দিয়েছে। জার্মান নওমুসলিম নারী 'হালিমা ক্রোয়াজান' হলেন এমন সৌভাগ্যবানদেরই একজন।

তিনি ছিলেন একজন খ্রিস্টান ও ধর্মতত্ত্বের ছাত্রী। ইসলাম সম্পর্কে ব্যাপক গবেষণা করেই মুসলমান হয়েছেন ক্রোয়াজান।

ইরানের ইসলামী বিপ্লব সম্পর্কে তিনি বলেছেন, 'তৃতীয় বিশ্বের জনগণের জন্য ইরানের ইসলামী বিপ্লব একটি আদর্শ বা মডেল। এই বিপ্লব এটা প্রমাণ করেছে যে, একটি জাতি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের ওপর নির্ভর না করেই নিজের পায়ের ওপর দাঁড়াতে সক্ষম। পশ্চিমা সমাজে নারী লাগামহীনতার মধ্যে ডুবে আছে। সেখানে পারিবারিক বন্ধন খুবই দুর্বল।

ইসলামী হিজাব নারীকে দেয় ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদা। পাশ্চাত্য ইসলামী হিজাবের ওপর হামলা করছে এ জন্য যে তারা নারীকে প্রচারণা ও পণ্য বিক্রির কাজে ব্যবহার করতে ভালোবাসে, অথচ হিজাব তাদের এ ধরনের লক্ষ্যগুলো অর্জনের পথে বাধা।'

ইরানের ইসলামী বিপ্লব সম্পর্কে মার্কিন মুসলিম নারী সালেহ শাকিরের মন্তব্যও উল্লেখযোগ্য। তিনি পড়াশোনা করেছেন রাজনৈতিক ভূগোল বিষয়ে। ইরানের ইসলামী বিপ্লব সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে সালেহ বলেছেন: 'ইরানের ইসলামী বিপ্লব মহান আল্লাহর পক্ষে বিশ্ববাসীর প্রতি মহান আল্লাহর এক বড় নেয়ামত।

আমেরিকার বঞ্চিত জনগণের কাছে এ বিপ্লব একটি আলো। কারণ, এ বিপ্লব বর্ণবাদসহ মানবতা-বিরোধী মূল্যবোধগুলোর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে। ইরানের মুসলিম নারীরা বিশ্ববাসীর জন্য আদর্শ মাতা। তারা সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নানা অঙ্গনে সক্রিয় উপস্থিতি বজায় রেখেছেন। তাদের হিজাব কুফরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বাংকার।

ইসলাম নারীর জন্য জ্ঞান অর্জনকে জরুরি বলে মনে করে। একমাত্র ইসলামই নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তম অধিকার। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পশ্চিমা সমাজ এইসব বাস্তবতা উপলব্ধি করে না।'

অস্ট্রিয়ার নওমুসলিম অ্যাঙ্গেলা হারম্যানও ইরানের ইসলামী বিপ্লবের বরকতে ইসলামের সঙ্গে পরিচিত হয়ে এই মহান ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এর আগে তিনি নিজের মধ্যে শূণ্যতা ও লক্ষ্যহীনতা এবং অর