বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে হামলা-ভাঙচুর, ৪ মামলায় আসামি ২ হাজার প্রবীণদের সুস্থতায় সুষম খাদ্য ও সঠিক পরিচর্যা জরুরি ‘যৌথ অভিযান নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম নিয়মিত প্রক্রিয়া’ হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ২২ মসজিদুল হারামের ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধান নিয়োগ হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসে নতুন নিয়ম, নির্দিষ্ট মেসেজে গুনতে হবে টাকা সৌদিতে ইসলাম অবমাননার মামলায় শ্রীলঙ্কান তরুণের মৃত্যুদণ্ড ‘প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার’ ভারতে প্রতিবাদ সত্ত্বেও ভেঙে ফেলা হলো ঐতিহাসিক মসজিদের অংশ বিশেষ

প্রধানমন্ত্রী আনলেন কৃষকবান্ধব ফোন সেবা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম

কৃষককে ‘ডিজিটাল সেবায়’ নিয়ে আসতে এবার নতুন একটি প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কৃষি নিয়ে সমস্যায় পরামর্শের জন্য কৃষককে আর কৃষি কর্মকর্তার দুয়ারে ছুটতে হবে না। একটি নম্বরে ডায়াল করেই তার সমস্যার সমাধান জানতে পারবে তারা।

বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেবাটির উদ্বোধন করেছেন, যার নাম রাখা হয়েছে ‘কৃষকবান্ধব ফোন সেবা।’

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে করা একই অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করা হয় কৃষকদের জন্য তথ্য সেবা কৃষি বাতায়ন এবং স্মার্টফোন অ্যাপ সাথি।

সেবাটি তৈরিতে কাজ করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটু আই এবং কৃষি সম্পৃসারণ অধিদপ্তর।

এতদিন দেশের ২০টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চলছিল কৃষি বাতায়ন। আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারা দেশের কৃষকই এই সুবিধা পাবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ৩৩৩১ নম্বরে ফোন করে কৃষক তার সমস্যার সমাধান সম্পর্কে জানতে পারবে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কৃষি কর্মকর্তা সে ফোনটি ধরতে না পারলে সেটি চলে যাবে তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে। আর সেটি সংরক্ষিত থাকবে কৃষি বাতায়নে।

সাথি অ্যাপে শিক্ষায় পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে স্মার্টফোন ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। এই ফোনে ছবি ও শব্দ শৈলীর ব্যবহারের মাধ্যমে পরিচিত নম্বরকে সংরক্ষণ করা যাবে। এখানে বিভিন্ন ছবির মাধ্যমে স্মার্টফোনকে সরলভাবে ব্যবহার উপযোগী করে তোলা হয়েছে। ছবি ও শব্দের ব্যবহারের মাধ্যমে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রায় তিন কোটি কৃষককে ১৫ হাজার কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে সেবা দেয়া ছিল কঠিন। এই ফোন ও সেবা দুই পক্ষে সম্পর্ক স্থাপনে হাতিয়ার হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ ডিজিটাল করেছি, এর সুফল শুধু শিক্ষিত জনগোষ্ঠী পাবে, তা নয়, বা সম্পদশালীরা পাবে তা নয়. এই সেবাটা আমরা তৃণমূলের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকরা যাদে উপকৃত হতে পারে তার যেন সুযোগ সুবিধা পায় এবং উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কী কী করণীয়, সে পরামর্শ যেন তারা পেতে পারে, সমস্যা যদি দেখা দেয়, তার সমাধানের উপায় কী, সেটা যেন জানতে পারে, সে জন্য