বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে হামলা-ভাঙচুর, ৪ মামলায় আসামি ২ হাজার প্রবীণদের সুস্থতায় সুষম খাদ্য ও সঠিক পরিচর্যা জরুরি ‘যৌথ অভিযান নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম নিয়মিত প্রক্রিয়া’ হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ২২ মসজিদুল হারামের ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধান নিয়োগ হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসে নতুন নিয়ম, নির্দিষ্ট মেসেজে গুনতে হবে টাকা সৌদিতে ইসলাম অবমাননার মামলায় শ্রীলঙ্কান তরুণের মৃত্যুদণ্ড ‘প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার’ ভারতে প্রতিবাদ সত্ত্বেও ভেঙে ফেলা হলো ঐতিহাসিক মসজিদের অংশ বিশেষ

‘ভিঅাইপি’ হজ্ব প্যাকেজে সাবধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সম্প্রতি মন্ত্রিসভা হজ প্যাকেজের খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে। কেউ কেউ ভিআইপি প্যাকেজে হজে যেতে চাইবেন। গতবারের হজে বাংলাদেশের কিছু কিছু হাজি বিলাসবহুল প্যাকেজের মাধ্যমে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হন। বাংলাদেশ থেকে ভিআইপি প্যাকেজে হজ করতে আসা এমন ৮০ জনের খোঁজ পান এ প্রতিবেদক। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক হওয়ার কারণে তাঁদের নাম-পরিচয় গোপন রাখতে হচ্ছে।

বিলাসবহুল হজ প্যাকেজ, যা ভিআইপি প্যাকেজ নামে বেশি পরিচিত। ভিআইপি প্যাকেজ ১৫ থেকে ২০ দিন। খরচ ৫ লাখ থেকে ১৪ লাখ টাকা পর্যন্ত। এত টাকা দেওয়ার পরও কেন বিড়ম্বনা?

এ প্রতিবেদনে নেপথ্য কারণগুলো খোঁজার চেষ্টা করা হবে। মূলত তথ্য না জানা এবং কৌশলগত কারণেই হজযাত্রীরা প্রতারিত হন। মক্কায় যে কক্ষের ভাড়া ৩ জিলহজ পর্যন্ত ১০ হাজার রিয়াল, সেই কক্ষ জিলহজের ৪ তারিখ থেকে এক লাখ সৌদি রিয়াল হয়। অর্থাৎ তারিখ অনুযায়ী ভাড়া কমবেশি হয়।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা সরল বিশ্বাসে এজেন্সির লোকের কথা বিশ্বাস করেছেন। পাঁচতারকা হোটেলে থাকার চুক্তিপত্র বা বুকিং আদৌ দেওয়া হয়েছিল কি না, তা-ও তাঁরা যাচাই করেননি। কারণ, বুকিং দিলে চুক্তিপত্র অথবা রিয়াল আদায়ের রসিদ থাকবে। এক দম্পতি ১২ লাখ টাকা খরচ করে মক্কায় পৌঁছে দেখেন, হিল্টন হোটেল তো দূরে থাক, কাবা শরিফ থেকে ১ হাজার ৩০০ মিটার দূরের এক বাসায় তাঁদের থাকতে দেওয়া হয়।

বেশি টাকা দিয়েও হজ করতে এসে প্রতারিত হওয়া প্রসঙ্গে মক্কায় বসবাসকারী নাজমুল হক জানালেন, ভিসা হওয়ার আগে মক্কা-মদিনার বাসার কাগজপত্র ঠিক করতে হয়। বাসা ভাড়ার চুক্তির ফটোকপি হজযাত্রী এজেন্সির কাছে চাইতে পারেন। হজযাত্রী তা সংরক্ষণ করবেন। তাহলে প্রতারিত হওয়ার সুযোগ কম। আরেকটি বিষয় হলো, কোন তারিখে, কোথায়, কত দিন থাকবেন, সংক্ষিপ্ত প্যাকেজ নাকি ফিতরা—এসব পরিষ্কার থাকা দরকার।

মক্কায় অনেক দিন ধরে বাস করেন আবুল কালাম। তিনি জানালেন, হজের দিন যত ঘনিয়ে আসে, অর্থাৎ ৪ জিলহজ থেকে ১৪ জিলহজ খরচ বেশি। আসলে ওই সময়ের বুকিংও আগে থেকে শেষ হয়। এ সময় বুকিং চাইলেও পাওয়া যায় না। কিছু হজযাত্রী চান, শেষ সময়ে হজে এসে দ্রুত দেশে ফিরতে। আর এ সময় খরচ বেশি। মসজিদুল হারাম-সংলগ্ন (কাবা শরিফ) হিল্টন টাওয়ার, জমজম টাওয়ার, সাফা টাওয়ার, মুভ অ্যান্ড পিক, রাইয়ান, মাকাম à¦