শায়খ মাওলানা জামাল উদ্দীন। শরিয়াহ বোর্ড অব নিউ ইয়র্কের চেয়ারম্যান ও বায়তুল হামদ ইনস্টিটিউট আমেরিকার শায়খুল হাদিস ও প্রিন্সিপাল।
সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশে সফরে এসেছেন নিজের জীবন, দীনের প্রচার ও ইসলাম শিক্ষা নিয়ে আওয়ার ইসলামকে দিয়েছেন দীর্ঘ সাক্ষাৎকার। তার সঙ্গে কথা বলেছেন, আওয়ার ইসলাম প্রতিবেদক কাউসার লাবীব
ইসলামি শিক্ষা থাকার কারণে আমেরিকার মাদরাসাগুলোকে কি সরকারিভাবে কোনো হেনস্তার স্বীকার হতে হয়?
না। ইসলামি শিক্ষা থাকার কারণে বৈষম্যের স্বীকার হতে হয় না। সেদেশে শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষেত্রে একটি নিয়ম রয়েছে,
ধর্মীয়গুরু তৈরির জন্য কিছু স্কুল তাদের ছাত্রদের ধর্মীয় শিক্ষা দিতে পারবে। সে স্কুলগুলোকে তারা বলে বাইবেল স্কুল। আমরা সেই বাইবেল স্কুলের জন্য যে নিয়ম-কানুন করা আছে তা মেনে চলি। আমাদের শতভাগ ছাত্ররা সরকারী পরীক্ষায় অংশ নেয়। ভালো রেজাল্ট করে।
তাছাড়া যারা বাইবেল স্কুলের নিয়ম মেনে চলে না, তাদেরও সরকারিভাবে তেমন চাপ প্রয়োগ করা হয় না, যদি তারা দেশের মৌলিক নিয়মগুলো মেনে চলে থাকে।
সেদেশে তিন ধরনের মাদরাসা শিক্ষা বিদ্যমান-
এক. যেখানে শুধু ইসলামি শিক্ষা দেওয়া হয়। অনেকটা আমাদের কওমি মাদরাসার মতো।
দুই. যেখানে জাগতিক শিক্ষাটাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়।তবে ইসলামি শিক্ষা রাখা হয়েছে নাম মাত্র।
তিন. যেখানে জাগতিক ও ধর্মী শিক্ষা দুটোকেই সমান প্রাধান্য দেওয়া হয়। যে মাদরাসাগুলোর প্রবর্তন আলহামদুলিল্লাহ আমরা করেছি।
আমেরিকান সরকার এইতিন ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থাকেই চলতে দিচ্ছে। কাউকে বাধা দিচ্ছে না।
বাংলাদেশে প্রচলিত বর্তমান মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা ও সিলেবাসে কী পরিবর্তন আনা দরকার বলে আপনি মনে করেন? যদি করেন তাহলে কেমন পরিবর্তন আশা করেন? ও কেন? আর না চাইলে কেন পরিবর্তন চান না?
আগের যুগে ইসলামি শিক্ষায় পড়াশোনা করে শিক্ষিত হয়ে ছাত্ররা বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছে। তিব্বে নববিকে এখনো ডাক্তাররা ফেলে দিতে পারেনি। সমীহ করতে বাধ্য। সে তিব্বে নববি পড়ে ছাত্ররা গর্বের সঙ্গে ডাক্তারি (হেকিমি) করেছে।
মাদরাসায় পড়ে ছাত্ররা আইনজীবির