উবায়দুল্লাহ সাআদ
বিশেষ প্রতিবেদক
বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের ১০ম কাউন্সিল নিয়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল ময়মনসিংহ আলেমদের মধ্যে তা এখনো বিদ্যমান।
ইত্তেফাকুল উলাম ময়মনসিংহের ডাকে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ৬টি কর্মসূচির ঘোষণা করেছিলেন তারা। সুরাহা না হলে নতুন কর্মসূচিতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
তারা অভিযোগ করেছে, বেফাকের অধীনে নয় হাজারের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে তিন হাজারের মতো প্রতিষ্ঠান ময়মনসিংহে। কিন্তু রহস্যজনকভাবে বেফাকের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেয়েছেন মাত্র নয়জন।
এর আগে অনুষ্ঠিত বেফাকের কাউন্সিলে ইত্তেফাকুল উলামা মজলিশে আমেলার সভাপতি মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদী তিনটি প্রস্তাব করেছিলেন।
প্রস্তাব তিনটি হল
১. বেফাকের ‘মজলিসে খাসসা’ তথা ‘বিশেষ কমিটি’ বিলুপ্তি করা হোক। কারণ, এতে মজলিসে আমেলার অবমূল্যায়ন হয়।
২. যে এলাকায় যত বেশি প্রতিষ্ঠান বেফাকে অন্তর্ভূক্ত, সে দিকে লক্ষ্য রেখে সদস্য নির্বাচন করা। যাতে বেফাকে অগ্রগামী ব্যাক্তিগণ বঞ্চিত না হয়।
৩. কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কোনো এক অঞ্চলে নেতৃত্বের দায়ভার যেন অর্পিত না হয়। তাহলে এই আঞ্চলিক করণের কারণে বেফাকের বদনাম হতে পারে। অতএব নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে যথাযোগ্য ব্যক্তিকে প্রাধান্য দেয়া।
ময়মনসিংহ আরেমদের দাবি, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদীর প্রস্তাব সময় উপযোগী হওয়া সত্বেও প্রস্তাব কোনো পর্যালোচনা ছাড়াই তা প্রত্যাখ্যান করা হয়।
সূত্র জানিয়েছে মূলত ক্ষোভের সৃষ্টি এখান থেকেই। পরে কমিটি ঘোষিত হলে তাতে দেখা যায় মাত্র ৯জন স্থান পেয়েছেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ থেকে। আলোচিত হয়েছে বেফাক কাউন্সিলে মাওলানা খালেদ খালেদ সাইফুল্লাহ সাদীর দর্শকসারীতে দাড়িয়ে বক্তব্যের বিষয়টিও।
কাউন্সিল শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মাথায় নানা আলোচনা সমালোচনার পর এ বিষয়ে কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করতেই গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহত্তর ময়মনসিংহের কওমি মাদরাসাসমূহের প্রিন্সিপাল ও কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে শেষে তারা ছয় দফা কর্মসূচিও ঘোষণা করেন যেখানে সদ্য অনুষ্ঠিত বেফাকের ১০ম কাউন্সিল বাতিলসহ গঠনতন্ত্র সংশোধন à