শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিল্লির আন্দোলনে মুসলিমদের অংশ না নেওয়ার আহ্বান ইমাম সংগঠনের প্রধানের মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশি হাফেজ ইহতিশামুল হক হীরা বায়তুল মোকাররমে ফের এসির তার চুরি, বন্ধ ৮ এসি পটুয়াখালী ইপিজেডের সামনে থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার মানসিক স্বাস্থ্যকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী কওমিরা লেখালেখিতে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে: লিয়াকত আলী মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও এআই ব্যবহারে নৈতিকতার তাগিদ শায়খ সুদাইসের ‘পাঠাও’ থেকে ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরি, যেসব ঝুঁকিতে ব্যবহারকারীরা ফ্লোরিডায় আঘাত হেনেছে হারিকেন ইসাইয়াস, বিদ্যুৎহীন লাখো মানুষ

হিন্দু মহাসভার ক্যালেন্ডারে কাবা হলো ‘মেকেশ্বর মন্দির’!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  হিন্দু নববর্ষের ক্যালেন্ডার বের করে সবাইকে চমক দিল ভারতের হিন্দু মহাসভা। সংগঠনটি আলিগড় ইউনিট এবার হিন্দু নববর্ষের যে ক্যালেন্ডার বের করেছে সেখানে দুনিয়ার ৭টি মসজিদ ও ঐতিহাসিক সৌধকে ‘হিন্দু মন্দির’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্যালেন্ডারে কাবা শরিফকে দেখানো হয়েছে ‘মেকেশ্বর মহাদেব মন্দির’ হিসেবে। তাজমহলকে উল্লেখ করা হয়েছে ‘তেজো মহালয়া মন্দির’ হিসেবে। এই জিগির অবশ্য আগে থেকেই ছিল। অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশের কামাল মওলা মসজিদকে দেখানো হয়েছে ‘ভোজশালা’ হিসাবে, কাশির জ্ঞানব্যাপি মসজিদকে দেখানো হয়েছে ‘বিশ্বনাথ মন্দির’ নামে।

একইসঙ্গে কুতুব মিনারের মতো ঐতিহাসিক স্তম্ভ হিন্দু মহাসভার ক্যালেন্ডারে হয়েছে ‘বিষ্ণুস্তম্ভ’, জৌনপুরের আটালা মসজিদের নাম হয়েছে ‘আটলা দেবীর মন্দির’ এবং বাবরি মসজিদকে দেখানো হয়েছে ‘রাম জন্মভূমি’হিসেবে।

নতুন ক্যালেন্ডার প্রসঙ্গে হিন্দু মহাসভার জাতীয় সভাপতি পূজা শাকুন পাণ্ডে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘হিন্দু নববর্ষ উপলক্ষ্যে আমরা বিশেষ ‌যজ্ঞের আয়োজন করেছি। এই দেশকে হিন্দু রাষ্ট্র বানানোই সংগঠনের লক্ষ্য। বিদেশি হামলাকারীরা এদেশের হিন্দুদের ধর্মীয় স্থানকে মসজিদে পরিণত করেছে। এবার তা ফিরিয়ে দেয়ার পালা। সেই হিসেবেই ওই ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে।’

এদিকে এ ব্যাপারে অল ইন্ডিয়া পার্সোন্যাল ল বোর্ডের সদস্য মাওলানা খালিদ রশিদ বলেন, পুরো দাবিটাই ভিত্তিহীন। কাবার মতো পবিত্র স্থানকে মন্দির হিসেবে দাবি করা দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ধারনার পরিপন্থী। পাশাপাশি, অলিগড়ের প্রাক্তন বিধায়ক জামিরুল্লহ খান বলেন, পাকিস্তানের হাফিজ সইদের সঙ্গে হিন্দু মহাসভার এইসব সদস্যদের কোনও তফাত নেই।

সূত্র- যমুনা টিভি অনলাইন


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ