[জামিয়া দারুল উলুম করাচির মুখপাত্র ‘ماہنامہ البلاغ মাহনামা আল-বালাগ’ এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত বিশ্বনন্দিত আলেম, স্কলার আল্লামা তাকি উসমানির আত্মজীবনী আওয়ার ইসলামে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ।
এ বিষয়ে আল্লামা তাকি উসমানি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ার ইসলামকে ভাষান্তর করে প্রকাশের অনুমতি দিয়েছেন। গত ২ জানুয়ারি জামিয়া দারুল উলুম করাচির তাখাসসুস ফিল ইফতার শিক্ষার্থী, আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের শুভাকাঙ্ক্ষি উমর ফারুক ইবরাহীমীর মাধ্যমে আল্লামা তাকি উসমানি ও পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মজীবনী ‘ইয়াদে’ অনুবাদের অনুমতি চাওয়া হলে তারা খুশি মনে রাজি হন এবং আওয়ার ইসলামকে ধন্যবাদ জানান বাংলাভাষায় ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য।
আল্লামা তাকি উসমানির নতুন ধারাবাহিক আত্মজীবনী “یادیں ইয়াদেঁ ” মাহনামা আল-বালাগে সফর ১৪৩৯ হিজরি, নভেম্বর ২০১৭ ইংরেজি মাস থেকে। আওয়ার ইসলামে লেখাটি সপ্তাহে দুদিন ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হচ্ছে। আজ প্রকাশ হলো ১৮ তম কিস্তি। অনুবাদ করেছেন মাওলানা উমর ফারুক ইবরাহীমী।]
দেওবন্দে আমাদের মহল্লার পূর্বপাশ জুড়ে বিস্তৃত হিন্দু জনবসতি ছিলো। ওটাকে সবাই হিন্দুপাড়া বলতো। প্রতি রাতেই এই ভুল বার্তা চারিদিকে চাউর হয়ে যেতো, আজ রাত হিন্দু বা শিখ কর্তৃক মুসলিমদের উপর আক্রমণ হবে।
এই সম্ভাবনা থেকেই যুবকরা মফস্বলের বিভিন্ন বিপদজনক পয়েন্টে পালাক্রমে সিকিউরিটি বা পাহারা বসাতো। অবস্থাদৃষ্টে বিশেষত শিখদের এহেন খুনোখুনির আলেখ্য আমার শিশুসুলভ স্মৃতিপটে বদ্ধমূল হয়ে গিয়েছিলো।
আমার চার বছরের মননে একথা ঠাঁই করে নিয়েছিলো যে, শিখ কোনো ভয়ংকর বিপদজনক প্রাণী। একবার কি কারণে যেনো আমি বাসার সবার সাথে অভিমান এবং বয়কট করে রাতে আমাদের ঘরের পূবপাশের দরজার কোণঘেঁষে শুয়ে পড়েছিলাম।
আমার সেই ছোট্ট সময়ের দৃষ্টিতে, ঘরের এই কোণটি দুই কারণে বিপদজনক ছিলো।
প্রথমত: এখানে জ্বালানি, খড়কুটো পড়ে থাকতো, তাই কখনো এতে বিচ্ছুরও দেখা মিলতো।
দ্বিতীয়ত: এই দরজাটি হিন্দুপাড়া অভিমুখী ছিলো এবং এটার পাশদিয়েই শিখদের মিছিল যেতো।
আর এদিক দিয়ে শিখদের আক্রমণের সম্ভাবনাও ছিলো সবচে বেশি। কিন্তু এই দুটো বৃহৎ বিপদজনক সম্ভাবনার কথা জেনেশুনেà¦