সৈয়দ ফয়জুল আল আমীন
দেশের প্রাচীনতম ও সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালে। এরপর দুই যুগেরও বেশি সময় ডাকসু নির্বাচন বন্ধ রয়েছে নানা জটিলতায়।
অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল বাকি সব সংগঠনের নির্বাচন নিয়মিতই হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নির্বাচন ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচন হয়। সিনেট, সিন্ডিকেট এবং একাডেমিক কাউন্সিলের নির্বাচনও হচ্ছে। এতে কোনো ধরনের সমস্যা হচ্ছে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ডাকসু নির্বাচন। আর তাদের দাবির সঙ্গে একাত্ম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরাও। এছাড়া ডাকসুর সাবেক নেতা, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সবাই ডাকসু নির্বাচনের কথা বলছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানও এ নির্বাচনের পক্ষে। ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়নসহ সব সংগঠনই এ নির্বাচন চান। মজার ব্যাপার, সবাই ডাকসু নির্বাচন চাইলেও- হচ্ছে না কেন? এ প্রশ্নের সঠিক জবাব কে দেবেন?
বলতে হয়, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে কত আলোচনা আর জটিলতা! কেউ বলেন নির্বাচন দেবেন তো আরেকজন বলেন পরিস্থিতি অনুকূলে নেই। আজ ডাকসু চাই-দাবি জোরাল হচ্ছে তো কাল আবার স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে। এভাবেই কেটে গেছে দীর্ঘ ২৮ বছর। আর কত? কার স্বার্থে?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আশার বাণী শুনিয়েছিলেন। তিনি বলছিলেন, ‘ডাকসু নির্বাচন ইজ মাস্ট। এটা না হলে ভবিষ্যতে নেতৃত্বে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।’
রাষ্ট্রপতির এমন বক্তব্যের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বত্র ডাকসু নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সবাই ভেবেছিলেন এবার হয়ত নির্বাচন হবেই। হয়ত বা হবে, তবে কবে যে হবে তা নিশ্চিত করে বলবেন কে?
প্রসঙ্গত, ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ডাকসু থেকে নির্বাচিত ৫ জন প্রতিনিধি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম সিনেটে থাকার কথা। কিন্তু দীর্ঘ দিন নির্বাচন না হওয়ায় ছাত্র প্রতিনিধি ছাড়াই সিনেট সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
দুই তলাবিশিষ্ট ডাকসু ভবনের নিচ তলার এক পাশে ডাকসু সংগ্রহশালা, অন্à¦