হাসান আল মাহমুদ
প্রতিবেদক, আওয়ার ইসলাম
শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারটি মূলত যে নামে বহুল প্রচলিত তিনি হচ্ছেন ব্যক্তি মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ। মুফতি মিযান সাহেবের মাদরাসা নামেই চিনে সারা বাংলাদেশের কওমি শিক্ষার্থীরা।
মুফতি মিযান আর ব্যক্তি থাকেননি, তিনি হয়ে উঠলেন একটি প্রতিষ্ঠান। একটি জামিয়া। একটি বিশ্ববিদ্যালয়। একটি উচ্চতর গবেষণামূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কারিগর।
বাংলাদেশের তাখাচ্ছুছ শিক্ষা চর্চা, প্রসারের অন্যতম স্বপ্নপুরুষ মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ বাংলাদেশে হেদায়া পর্যন্ত পড়ে মিশকাত (মারহালাতুল ফযীলত) থেকে উচ্চ শিক্ষার প্রতিটি ধাপ অর্জনে ছুটে যান পাকিস্তানের বিশ্বখ্যাত জামিয়া করাচীতে।
তুখোর মেধা শক্তির আধিকারি মুফতি মিযান দাওরায়ে হাদিসের বার্ষিক পরীক্ষায় পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসিল বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় দারুল উলূম করাচী কেন্দ্রে ১ম এবং সমগ্র পাকিস্তানে ৩য় স্থান অধিকার লাভ করেন।
তাখাচ্ছুছ অর্জনে বিশ্বনন্দিত ফকীহ, যুগশ্রেষ্ঠ আলেম, জাস্টিস আল্লামা তাকী উসমানির প্রিয় ছাত্র হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করে নিজেকে নিয়ে যান অনন্য উচ্চতায়। পাকিস্তানে বিশ্ববিখ্যাত মুফতি তাকী উসমানি’র স্নেহছায়ায় 'তাখাচ্ছুছ ফিল ফিকহীল ইসলামি'র উচ্চ শিক্ষার পাঠ চুকাতেই ইমাম মুহাম্মদ বিন সউদ আল ইসলামি ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে স্কলারশীপসহ ভর্তির সুযোগ পেয়ে মক্কা-মদিনার ইশারায় সেখানে ছুটে যান। সেখানে এক বছর আরবী ভাষার উপর ডিপ্লোমা কোর্স শেষ করে পরবর্তী বছর জামিয়াতুল ইমাম মদিনা শাখায় 'কুলিয়াতুদ্দাওয়া ওয়াল আলাম' সাবজেক্টে লিসান্স ডিগ্রি কৃতিত্বের সঙ্গে অর্জন করেন।
এ সময় তাকী উসমানির নির্দেশে বিশ্ববিখ্যাত ইসলামিক ব্যক্তিত্ব শাইখ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহর স্নেহধন্য লাভ কওে অনেক ইস্তিফাদা অর্জন করেন। বিশ্ব নন্দিত মুহাক্কিক, গবেষক ইসলামিক স্কলার শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বাযসহ মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের বিশ্ববিখ্যাত মনীষীদের কাছে পাঠ গ্রহণ করে নিজের ভেতরে ইলমের ব্যাপক ভাণ্ডার গড়ে তুলেন।
উচ্চ শিক্ষা আর