সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


দুই পীরের প্রথম বায়তুল্লাহ দেখার অনুভূতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: বায়তুল্লাহ। আল্লহর ঘর। শুনলেই তো মনটা ভরে ওঠে। আর যারা নিজের চোখে দেখেছে তাদের কেমন অনুভূতি সেটা সত্যিই আগ্রহের বিষয়।

অাল্লাহ তায়ালার ঘরের দিকে তাকালেই গুনাহগুলো মাপ হতে থাকে। বায়তুল্লাহর মুসাফিরগণ কতই না সোভাগ্যবান।

আল্লাহ তায়ালা যাদেরকে আল্লাহর ঘর, নবী কারিম সা. এর রওজা মুবারক নিজের চোখে দেখার তাওফিক দান করেছেন তারা কতই না সোভাগ্যবান।

সাধারণ মানুষের চোখে আর আল্লাহ পাগলদের চোখে এ বায়তুল্লাহ দেখার মধ্যে অনেক তফাত আছে। আল্লাহর পাগলরা পাগলের মত হয়ে থাকে বায়তুল্লাহর যিয়ারতে।

নবীর আশেকরা দূর থেকে মদিনা দেখতে পেয়েই পাগলের মত আচরণ করে। চোখের নদীতে বুকভাসায় নবীর প্রেমে। নবীর ভালোবাসায়।

বায়তুল্লাহ প্রথম দেখার অনুভূতি জানতে চেয়েছিলাম মরহুম নানুপুর পীর সাহেব জমিরুদ্দীন রহ. ও তাবলিগ জামাআতের মুরব্বি হযরত শায়েখ যাকারিয়্যাহ রহ. এর বিশিষ্ট খলিফা শাইখুল আরব ওয়াল আজম মালিক আবদুল হাফিয আল মাক্কি ও পীরে কামেল মাওলানা সুলাইমান নোমানি রহ. এর খলিফা পীরে কামেল ড. মাওলানা মুশতাক আহমদ এর কাছে।

তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমার অবস্থাটা বলা আমি পছন্দ করি না। তবে কেউ যদি লাভবান হয় তাই বলছি।

আমি প্রথম বায়তুল্লাহর সফরে যাই ১৯৯৭ সালে। সেটা এক রকম আমার পাগলামির জোরেই যাওয়া হয়েছিলো।

আমার অনেক পরিকল্পনা ছিলো যখন বায়তুল্লাহ দেখবো এভাবে দোয়া করবো, এভাবে প্রার্থনা করবো। অন্যকেউ আমি এভাবে দোয়া করতে শিখিয়েও দিয়েছি। কিন্তু আমার সাথীরা পরে বলেছেন, আমি যখন প্রথম বায়তুল্লাহ দেখেছি চিৎকার দিয়ে বেহুশ হয়ে গিয়েছিলাম।

কিসের দোয়া করবো, আমাকে ধরে দুইজন কাঁধে নিয়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করছিলো। চতুর্থ চক্কর দেয়ার সময় আমার জ্ঞান ফিরে আসে। আমি জিজ্ঞেস করি আমি কোথায়? তারা বললো আমরা তাওয়াফ করছি।

তো মূল বিষয় হলো তাকওয়া আর আল্লাহর মুহাব্বত যার যত বেশি হবে আল্লাহ তায়ালা তাকে ততবেশি নৈরকট্য অর্জনের সুযোগ দেবেন।

বায়তুল্লাহ প্রথম দেখলে কী করণীয় এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, হাদিসে নবী কারিম সা.  এ বিষয়ে অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা কসম করে বলেছেন, বান্দা প্রথম বায়তুল্লাহ দেখে যে দোয়া করবে সে দোয়াই আল্লাহর দরবারে কবুল হবে।

এ জন্য যখনই বায়তুল্লাহ দেখবে সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে যাবে। আবেগ আর মুহাব্বত ভালোবাসা জড়িয়ে থেকে বায়তুল্