সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


তেহরিকে ইনসাফের জয়; যেসব চ্যালেঞ্জের মুখে ইমরান খান?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুজাহিদুল ইসলাম
আওয়ার ইসলাম

পাকিস্তানের প্রচলিত দলগুলো ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফের (পিটিআই) কাছে চরম পরাজয়ের পর দেশের ভবিষ্যত নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

যেখানে ইমরান খানের জয় হয়েছে, সেখানে পিপলস পার্টির নেত বিলাওয়াল ভুট্টো, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসী এবং যুগ যুগ ধরে রাজনৈতিক দৃশ্যপটে থাকা ধর্মীয় দলগুলোর নেতৃবর্গ পরাজিত হয়েছেন।

যদিও তেহরিক ইনসাফ দুই দশক আগে প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু রাজনৈতিক মঞ্চে ইমরান খানের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বয়স মাত্র পাচঁ বছর। তিনি দুর্নীতি মোকাবেলা করার স্লোগান দিয়ে জনগণের মন জয় করতে পেরেছেন।

তেহরিক ই ইনসাফ ২০১৩ সালে জাতীয় নির্বাচনে জারদারি সরকারের আমলে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জীবন-যাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথমবার নির্বাচনে ভোটারদের কাছে টানতে সক্ষম হন এবং তার দল পার্লামেন্টে তৃতীয় শক্তিহিসেবে আবির্ভূত হয়।

পিটিআই গত কয়েক বছরে পাকিস্তান পিপলস পার্টির বিপরীতে নিজেদের শক্তিশালী বিরোধী দল-হিসেবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়।

এমনকি ২০১৪ সালে নওয়াজ শরীফের পদত্যাগের দাবীতে তিন মাসব্যাপী অবস্থান ধর্মঘটের কারণে দেশ প্রায় অচল হয়ে পড়ে।

দুর্নীতির ট্রাম্প কার্ড

লেখক সাংবাদিক মুহাম্মাদ আলি ওজিরি মনে করেন, তেহরিক ইনসাফ সিন্দে পিপলস পার্টির শক্তি সংকুচিত করতে এবং পাঞ্জাবে ভুট্টো পরিবারের বিভিন্ন ছিট দখল করতে সক্ষম হয়েছে। অনুরুপভাবে পিপলস পার্টির বড় বড় নেতাকে নিজেদের দলে বাগিয়ে নেয়, যারা এখন তেহরিকে ইনসাফের উচ্চপদে রয়েছেন।

২০১৬ সালে ফাস হওয়া পানামা পেপার্সে নওয়াজ পরিবারের এমন সম্পদ ও আয়ের উৎসের খোঁজ পাওয়া যায় যা নওয়াজ শরীফ জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রকাশ করেননি। এটিই ইমরান খানের হাতে ট্রাম্প কার্ড হিসেবে জমা হয়; এর সূত্র ধরেই নওয়াজের বিরুদ্ধে একের পর এক ব্যবস্থা শুরু হয়।

২০১৭ সালে জুলাইয়ে তাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে চলে যেতে হয়। তারপর জেলেও যেতে হয়েছে।

অনুরুপভাবে তেহরিকে ইনসাফ সাবেক প্ররাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা মুহাম্মাদ আসিফ, নওয়াজের মেয়ে মরিয়ম নওয়াজের মতো তারকা প্রার্থীদের পরাভূত করতে সক্ষম হয়েছে। এভাবেই নতুন করে উঠে আসা পিটিআই ‘নতà