আবদুল্লাহ তামিম
আওয়ার ইসলাম
দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে ৫ অক্টোবর (শুক্রবার) বাদ জুমা ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ডাকা মহাসমাবেশে লক্ষাধিক মানুষ জমায়েত করতে চায়।
আর সে কারণে রাজধানীসহ সারাদেশে চলছে ব্যাপকভাবে প্রস্তুতি ও প্রচারণা। পথসভা, লিফলেট বিলিসহ নানাভাবে মানুষকে আকর্ষণ করতে সময় ব্যয় করছেন নেতাকর্মীরা।
খেলাফত ও রাজনীতি ইসলামী দৃষ্টিকোণ
গত ১৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পুরানা পল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন।
এ মহা সমাবেশের ঘোষণার পর থেকে দলটি সমাবেশ সফল করতে জেলায় জেলায় প্রচারণা চালিয়ে আসছে। ঢাকার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমাবেশ হবে বলেও তারা আশা করছেন।
সমাবেশের ঘোষণা দিয়ে দলটির আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন করতে হবে। নিবন্ধিত সকল দলের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, দেশে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বিরাজমান। প্রধান দুটি রাজনৈতিক জোটের যুদ্ধাংদেহি মনোভাব দেশের সর্বত্র এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সরকারের ক্ষমতার মেয়াদ শেষে আগামী জাতীয় নির্বাচন কিভাবে হবে, তা এখনো পরিষ্কার হয়নি। এসব কারণেই এ মহাসমাবেশ।
গত সিটি নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বেশ প্রভাব দেখিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আর বড় দলগুলোর মধ্যে এটিই একমাত্র রয়েছে জোট মহাজোটের বাইরে। সুতরাং সোহরাওয়ার্দীর এ সমাবেশে চোখ থাকবে সবার।
সমাবেশের প্রস্তুতি ও প্রভাব ও উপস্থিতি আর লক্ষ্য উদ্দেশ্য সম্পর্কে আওয়ার ইসলামের সঙ্গে কথা বলেছেন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও নির্বাচন পরিচালনা বিষয়ক সেলের সদস্য মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
তিনি বলেন, আমরা আশা করছি অতীতের সব বড় বড় সমাবেশ থেকে বড় সমাবেশ হবে ৫ অক্টোবরের সমাবেশ। কারণ আমরা সমাবেশের ইস্যুগুলোর গুরুত্ব দেশের মানুষের থেকেও উপলব্ধি করতে পারছি।
দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত কল্য