সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘স্বাধীনতার পর আ’লীগের সবচে বড় কাজ সংসদে কওমি সনদের বিল পাশ’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কয়েক যুগ আন্দোলনের পর সরকারস্বীকৃত হয়েছে কওমি মাদরাসা সনদ। পূরণ হয়েছে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন। এ নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। শুরু হয়েছে বিরোধিতাও। তবে উলামায়ে কেরাম বলছেন এখন পেছনে চিন্তার সুযোগ নেই, এগিয়ে যেতে হবে সম্ভাবনাকে সামনে রেখে।

কওমি স্বীকৃতির ইতিহাস, ছাত্রদের এগিয়ে যাওয়া, যাদের অবদানে এ স্বীকৃতি এসব নিয়ে কথা হয় জাতীয় দীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের সহসভাপতি ও জামিয়া ইসলামিয়া আযমিয়া বনশ্রী’র মুহতামিম মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ এর সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুহাম্মদ আসআদ। 

আসআদ : কওমি মাদরাসার শিক্ষা সনদের স্বীকৃতির দাবি থেকে সাফল্য কিভাবে এলো, ইতিহাসটা জানতে চাই?

মাওলানা ইয়াহয়া মাহমুদ : কওমী শিক্ষা সনদের স্বীকৃতির সূচনা এর আলোচনা করলে প্রথমে স্বরণ করতে হয় আল্লামা আতহার আলী রহ. এর নাম। যিনি সর্ব প্রথম স্বীকৃতির আওয়াজ তুলে ছিলেন।

শায়খ নূরুদ্দিন গওহরপুরিসহ শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ. এর নাম বিশেষভাবে স্মরণ করতে হয়। যিনি বিগত বিএনপি সহ চার দলীয় জোর সরকারের আমলে মুক্তাঙ্গনে এই দাবিতে পাঁচ দিন অবস্থান ধর্ম ঘট করে ছিলেন। তার পাশে কিছু সময় আমিও ছিলাম।

ওই আন্দোলনে সরকারের ভেতরে ইসলামী ঐক্য জোটের ওলামায়ে কেরামও ছিলেন। বিশেষ করে মরহুম মুফতি আমিনী  এবং মাওলানা মুফতি ওয়াক্কাস। সে সময় চাপের মুখে জোট সরকার স্বীকৃতির ঘোষণা দেয়। গ্যাজেটও হয়।

কিন্ত পরবর্তীতে এটি আর আলোর মুখ দেখেনি। সরকারের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা জামাতের এজেন্ট এবং বেদাতি ও অন্যান্য কওমি বিদ্বেষীদের বিরোধিতার কারণে চাপা পড়ে যায়।

২০০৮ সালের ডিসেম্বরে বর্তমান সরকার প্রথম টার্মে ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্রীয় বাসভবন যমুনাতে ওলামায়ে কেরামদের নিয়ে দুটো বৈঠক করেন। এই দুটো বৈঠকেই আমি উপস্থিত ছিলাম।

আমার যতদূর মনে পড়ে প্রথম বৈঠকে প্রায় ২৫জন ওলাময়ে কেরামকে নিয়ে হয়েছিল। দ্বিতীয় বৈঠকেও শীর্ষ আলেমগণ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ করে উল্লেখ করতে হয় শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ.।

নানূপুরের পীর হযরত মাওলানা শাহ জমিরউদ্দীন রহ.সহ বর্তমান সারা বাংলার মুরব্বি আল্লামা আহমদ শফীসহ শীর্ষ ওলামায়ে কেরামও ছিলেন।

এভাবে স্বীকৃতির কাজ এগুতে থাকে। একটা সময় স্বীকৃতি দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেল