সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

হাটহাজারীর অভিভাবক কি হতে পারবেন আলেম প্রার্থীরা?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইশতিয়াক সিদ্দিকী, হাটহাজারী প্রতিনিধি

হাটহাজারী। বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ একটি নাম। হেফাজতের রাজধানী হিসেবে বেশ আলোচিত। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী, বায়জিদ আংশিক ও তার আশপাশ) আসনে কওমি ঘরণার ইসলামি দলগুলোর তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন মনোনিত ও হাটহাজারীর আলেম ও নাগরিক কমিটি সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে বটগাছ প্রতীক নিয়ে মাওলানা মীর ইদরিস, ইসলামী ঐক্যজোট থেকে মিনার প্রতীক নিয়ে মাওলানা মুঈনুদ্দিন রুহী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ রফিক।

এছাড়াও জমিয়তের প্রার্থী হাটহাজারী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনীর ও খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতী শিহাবুদ্দীন মনোনয়ন পেয়ে প্রথম দিকে মাঠে থাকলেও শেষ দিকে মাওলানা মীর ইদরীসকে (বটগাছ) সমর্থন জানিয়ে তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বড় দু'দল আ'লীগ ও বিএনপির পাশাপাশি ইসলামী দলগুলোর প্রার্থীরা ব্যাপক গণসংযোগ চালাচ্ছেন। উঠোন বৈঠক, ঘরোয়া মজলিস ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভোট চাইছেন। ভোটারদের মন জয় করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

এদিকে হাফেজ্জি হুজুর রহ. প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মীর ইদরিস এক ভিডিও বার্তায় সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত হাটহাজারী গড়ার পাশাপাশি হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের ঘোষিত ঐতিহাসিক ১৩ দফা বাস্তবায়নে জাতীয় সংসদে ভূমিকা রাখবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

আলেমদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হাটহাজারী আসনে ইসলামী দলের তিনজন প্রার্থী মাঠে থাকায় জনমনে ও ইসলামমনা ভোটারদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনা জন্ম নিয়েছে। তাদের দাবী, আ.লীগ ও বিএনপি থেকে দলীয় ও পছন্দসই প্রার্থী মনোনয়ন না পাওয়ায় উভয় দলে মাঠ পর্যায়ে হতাশা ও অনাগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

হাটহাজারীতে একক আলেম প্রার্থী নির্বাচন করলে বড় দুই দলের ভোট কাজে লাগিয়ে বড় ধরনের জয় আশা করা যেতো। কিন্তু ইসলামি ঘরাণার তিনজন প্রার্থী হওয়াতে প্রত্যেকের জন্য জয়ী হওয়াটা হবে দুঃসাধ্য।

এমন পরিবেশে একাধিক আলেম প্রার্থী কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বটগাছ প্রতীকে নির্বাচনকারী মাওলানা মীর ইদরীস এই প্রতিবেদককে জানান, হাটহà¦