রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পদ্মা সেতুর নকশা জটিলতায় সমাধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পদ্মা সেতুর ২২টি পিলারের মধ্যে ২০টির সমাধান আগে হলেও আটকে ছিল ৬ ও ৭ নম্বর পিলারের নকশা।

আজ মঙ্গলবার এ দুটি পিলারের সংশোধিত নকশাও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ। এর ফলে শতভাগ সমাধান হলো পদ্মা সেতুর নকশার জটিলতায়।

দেশের কোটি মানুষের স্বপ্নে লালিত পদ্মা সেতু নির্মিত হচ্ছে ৪২টি পিলার নিয়ে। সেতু নির্মাণের আনুষ্ঠানিক কাজের সূচনা হয়েছিল মাওয়া প্রান্তে ৬ নম্বর পিলার দিয়ে। তবে সেখানেই সৃষ্টি হয় ভয়াবহ জটিলতা। এ অংশে নদীর তলদেশের মাটির গঠনের কারণে কিছুতেই বসানো যাচ্ছিল না পিলার।

প্রায় ১২৪ মিটার দৈর্ঘ্যের ৬টি খুঁটি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছিল এক একটি পিলার। ওই জটিলতার সমাধান না হওয়ায় দ্রুত কাজ সরিয়ে নেয়া হয় জাজিরা প্রান্তে। সেখানে নদীর তলদেশের মাটিতে সমস্যা না থাকায় একের পর এক বসানো হয় পিলার ও স্প্যান। একই সঙ্গে কাজ চলে মাওয়া প্রান্তের নকশা জটিলতা সমাধানের।

দেশি বিদেশি ৬টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১ বছর ধরে এ কাজ চালিয়ে শুরুতে এক একটি পিলারে ৬টির জায়গায় ৭টি করে খুঁটি বসিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে।

এ পদ্ধতিতে কয়েকটি পিলারে কাজ হলেও কিছু কিছু পিলারে যোগ করা হয় বিশ্বে প্রথমবারের মতো স্টিলের পাইলে ট্যাম প্রযুক্তি। এভাবেই চলে সমাধানের চেষ্টা।

পদ্মা সেতু প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ডিজাইনের সময়ে পাওয়া সব সয়েল তখন টেস্ট করা হয়নি। পরে যখন সব টেস্ট করা হলো, তখন দেখা গেল প্রায় ২২টা পিলারে ভিন্ন রকমের সয়েল পাচ্ছি। এটা করতে গিয়ে কিছু টেস্ট করতে হলো, যাতে সময় লাগল অনেক বেশি। প্রায় বছরখানেক সময় লাগল।

তবে এতসব চেষ্টায়ও কাজ হয়নি ৬ ও ৭ নম্বর পিলারে। সেখানে নানা কৌশল ব্যর্থ হলেও হাল ছাড়েননি কর্তৃপক্ষ। অবশেষে সংশোধিত নকশায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হলো মঙ্গলবার। এখন বাকি কাজ দ্রুত শেষ হবে বলে আশাবাদী প্রকল্প পরিচালক।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ