রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ভোটের রাতে কী ঘটেছে, বলতে পারবো না: ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘খুবই সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ’ হয়েছে বলে দাবি করেছে ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম (ইএমএফ)। তবে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইএমএফের মন্তব্য, ‘রাতের আধারে কী ঘটেছে, আমরা বলতে পারবো না’।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জাতীয় সংবাদ সম্মেলনে ইএমএফ-এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মাওলানা মো. আবেদ আলী এ দাবি করেন।

আবেদ আলী বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের দিন সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যায় ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করেছি। ভোটগ্রহণ খুবই সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ ছিল।’

ইএমএফ-এর লিখিত পর্যবেক্ষণ পাঠে তিনি বলেন, ‘সার্বিক বিবেচনায় নির্বাচন খুবই শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর, আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংস্থার পর্যবেক্ষকদের মতে, যেসব কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, ওইসব কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক এবং কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি চোখে পড়েনি। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন শেষ করায় আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের অন্তর্ভুক্ত সংগঠন সার্ক হিউমেন রাইটস ফাউন্ডেশনের পক্ষে সর্বমোট আটজন বিদেশি পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন এবং তারা নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক হয়েছে বলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন বলেও তিনি জানান।

প্রার্থীদের আচরণের বিষয়ে আবেদ আলী বলেন, ‘নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারসহ সার্বিকভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ পরিলক্ষিত হয়। তবে কিছু সংসদীয় আসনের প্রার্থী মামলার অজুহাতে প্রশাসনের হয়রানির শিকার হয়েছেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। নির্বাচন কমিশন উল্লিখিত বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।’

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসারসহ নির্বাচন কাজে নিয়োজিত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সার্বিকভাবে কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেছেন এবং পর্যবেক্ষণে ক্ষেত্রে কোনো প্রকার বাধার সৃষ্টি করেননি বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাদের আরও শক্তিশালী করা, নির্বাচনি সহিংসতায় সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করা, নির্বাচনের কয়েকটি কেন্দ্রে নিহদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়াও সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ