রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পুরান ঢাকায় ৮৫০ অবৈধ রাসায়নিক কারখানা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাজধানীতে রয়েছে এক হাজারের বেশি অবৈধ রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থের গুদাম। এর মধ্যে পুরান ঢাকাতেই আছে সাড়ে আটশো।

অন্তত ২০০ ধরনের ক্ষতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিকের ব্যবসা রয়েছে এলাকাজুড়ে। এসব রাসায়নিক আগুনের সংস্পর্শে এলেই ঘটছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।

ঘিঞ্জি অলিগলি আর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কারখানা কতটা বিপজ্জনক হতে পারে, বুধবার রাতে তা আবারো দেখলো মানুষ।

চকবাজারের চুড়িহাট্টায় অন্য ভবনে আগুন তিন থেকে চার ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসলেও রাসায়নিক থাকা ভবনটির আগুন নেভাতে সময় লাগে নয় ঘণ্টার বেশি।

ওয়াহিদ ভবনের মতো রাসায়নিক পদার্থ আছে, পুরান ঢাকায় এমন ভবনের সংখ্যা সাড়ে আটশো। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য মতে, এসব গুদামে রয়েছে গ্লিসারিন, সোডিয়াম অ্যানহাইড্রোস, সোডিয়াম থায়োসালফেট।

হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, মিথাইল ইথাইল কাইটন, থিনার, আইসোপ্রোইলের রাসায়নিক। আগুনের সংস্পর্শে এলে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে এসব রাসায়নিক।

রাসায়নিক পদার্থ রাখার জন্য ২৫ শতাংশ খোলা জায়গা প্রয়োজন। কিন্তু পুরান ঢাকায় আছে ৫ শতাংশ। ২০১০ সালে নিমতলী ট্র্যাজেডির পর একাধিকবার এসব অবৈধ কারখানা সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি।

চকবাজারের আগুনের পর এখন পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের দাবি যত দ্রুত সম্ভব এসব অবৈধ কারখানা সরিয়ে নিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে সরকার।

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার রাত ১০টার পর রাজধানীর চকবাজার এলাকার নন্দকুমার দত্ত সড়কের চুরিহাট্টা মসজিদ গলির রাজ্জাক ভবনে আগুন লাগে। রাত ১টা ৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

পরে আগুন ভয়াবহ আকারে আশপাশের ৫টি বিল্ডিংয়ে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের ৩২টি ইউনিট রাত ৩টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুনে পুড়ে ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুড়ে যাওয়া লাশগুলো শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভিড় করেছেন স্বজনরা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ