মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

দাওয়াতুল হক: সুন্নাতে নববীর পাঠশালা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবুল কালাম আনছারী
আলেম ও শিক্ষক

ইসলাম শান্তির ধর্ম। কল্যাণ ও পরোপকার তার লালিত স্বপ্ন। তাই তো ইসলামি সভ্যতা আর প্রাচ্য-প্রতীচ্যের অন্য যে কোনো সভ্যতার তুলনা হয় না। ইসলামি সভ্যতা সৃষ্টির কল্যাণে এক সার্বজনীন সুমহান সভ্যতা। এর মূলে রয়েছে স্রষ্ঠার প্রেরিত জীবন-বিধান আর রাসুলে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদর্শ।

প্রতীচ্যের সভ্যতা যেখানে দেখায় অত্যাচার, অপশাসন আর বেপরোয়া শোষণের নীতি, ইসলাম সেখানে নির্দেশ করে ন্যায়-নিষ্ঠা, সাম্য আর ভ্রাতৃত্বের অটুট বন্ধন। ইসলাম কখনো লাগামহীন ভোগবাদ কিংবা আত্মকেন্দ্রিক বৈরাগ্যবাদে সমর্থন দেয় না। দায়িত্ববোধ ও আধ্যাত্মিকতায় ইসলামের বাণী সামঞ্জস্যশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ। যৌক্তিকভাবেই বিশ্বময় এর আবেদন অপরাপর সভ্যতার কাছে ঈর্ষণীয়।

খাওয়া-পরা, শোয়া-বসা, আচার-আচরণ সব ক্ষেত্রেই ইসলামের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। অথচ আমাদের নতুন প্রজন্ম এ ব্যাপারে অবগত নয়। এমতাবস্থায় পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্তঃসারশূন্য মেকি রূপ উন্মোচন ও ইসলামের শাশ্বত শিক্ষা, তাহযিব-তামাদ্দুন স্পষ্ট করে তুলে ধরা অত্যাবশ্যক হয়ে পড়ে।

সত্যিকার ওলামায়ে কেরাম এই কর্তব্য উপেক্ষা করতে পারেন না। ব্যক্তি-উদ্যোগ, সংস্থা, আন্দোলন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ওলামা-মাশায়েখ ও ইসলামি চিন্তাবিদগণ এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছেন। দাওয়াতুল হক সেই ধারাবাহিক মিশনেরই এক অত্যুজ্জ্বল আলোকবর্তিকা।

প্রতিষ্ঠা-প্রেক্ষাপট

দাওয়াতুল হককে পুরোপুরি বুঝতে হলে সংশ্লিষ্ট সমাজের তৎকালীন ধর্মীয় অবস্থা, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে কিঞ্চিত ধারনা দেয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি এর লক্ষ্য ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে জানাও অপরিহার্য। এছাড়া কোনো আন্দোলন, সংস্কারের যথাযথ মূল্যায়ন সম্ভব নয়। বৃটিশ ঔপেনেবিশিক শাসনামলে ভারতীয় মুসলিম সমাজকে বেশ কয়েকটি প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। মোটা দাগে তার চারটি অবস্থাকে চিহ্নিত করা যায়।

এক. বৃটিশ কালচারাল আগ্রাসন। এর শিকার শুধু মুসলিম সমাজই নয়, নিখিল ভারতের সব ধর্মই এর অন্তর্গত। হিন্দু সমাজের জন্য তা আশীর্বাদ হতে পারে। কিন্তু মুসলিম সমাজের জন্য তা ছিল ন্যাক্কারজনক।

দুই. আনুষঙ্গিকভাবেই ইসলামি শিক্ষাকে তখন ধরে রাখা সম্ভব ছিলো না। ফলশ্রুতিতে ইসলাম সম