মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

আগুন নেভাতে পড়তে হয় যে দোয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আগুনে প্রতিনিয়তই মানুষ পড়ুছে। ঝরছে তাজা প্রাণ। সামান্য অসতর্কতার জন্য ঘটে যাচ্ছে আগ্নিকাণ্ডের মতো বড় দুর্ঘটনা।

ইসলাম বলে মানুষ আল্লাহর অবাধ্যতায় মাত্রা অতিক্রম করলে বিভিন্ন ধরনের আজাব-দুর্ভোগ নেমে আসে। তাই পার্থিব ও অপার্থিব সতর্কতা দুইটিই সদা কাম্য।

আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল আস রা. থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল সা. বলেন, ‘তোমরা যখন কোথাও আগুন দেখো, তখন তোমরা তাকবির দাও। কেননা, তাকবির আগুন নিভিয়ে দেবে। (তাবরানি, হাদিস নং: ১/৩০৭)

তাকবির হলো: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। অর্থ : আল্লাহ মহান। আল্লাহ মহান।

ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, ‘এ জন্য নামাজ, আজান ও ঈদের নিদর্শন হলো তাকবির। উঁচু স্থানগুলোতে অথবা কোনো যানবাহনে আরোহন করলে তাকবির পাঠ করা মুস্তাহাব। আগুন যত প্রলয়ঙ্করী হোক; তাকবিরের মাধ্যমে তা নিভে যায়। আর আজানের মাধ্যমে শয়তান পলায়ন করে। (আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা: ৫/১৮৮)

তাই অগ্নিকাণ্ডে আশপাশে যারা থাকে তাদের জন্য উচিত হলো আজান দেয়া।

আরআর