উবায়দুল্লাহ সাআদ
বিশেষ প্রতিবেদক
প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসের পরীক্ষা বাতিল করেছে কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ অথরিটি ‘আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’। একই অভিযোগে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড-এর (বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ) চলমান ৪২তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার মেশকাত জামাতের (ফজিলত) পরীক্ষাও বাতিল করা হয় ।
দাওরায়ে হাদিসের পরীক্ষা বাতিল করায় ছাত্রদের মনে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ নিয়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিবাদ করতে দেখা যাচ্ছে পরীক্ষার্থীদের। সাম্প্রতিক বিষয়গুলো নিয়ে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের কী করণীয় সে সম্পর্কে আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে কথা বলেছেন রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মোহাম্মদপুরের মুহাদ্দিস মাওলানা মামুনুল হক।
তিনি বলেন, “ছাত্ররা দীর্ঘ একটি বছর ব্যাপক পড়াশুনা করে পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করে এবং একটা পরীক্ষা শেষ হওয়ার অর্থ, তাদের মাথা থেকে একটা কঠিন বোঝা সরে যাওয়া। যখন পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত আসল, তখন প্রায় অর্ধেক বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পথে। এ সময়ে পরীক্ষা বাতিল হওয়া এবং পুনরায় পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত হওয়া, শিক্ষার্থীদের জন্য কতটা কষ্টকর, একজন ছাত্র হিসেবে আমি তা অনুভব করতে পারছি।”
“কিন্তু অন্ত্যান্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় বিষয়টি যতই কষ্টকর হোক না কেন, কওমি শিক্ষা ব্যবস্থার বৃহত্তর স্বার্থ এবং আমাদের আগামীর ভবিষ্যত প্রজন্মের নিরাপত্তার জন্যে আমি সকল ছাত্রদের এই বিষয়টাকে সহজভাবে গ্রহণ করতে বলব। প্রকৃত জটিলতা এবং সমস্যাকে তারা গভীরভাবে উপলব্ধি করবে এটা তাদের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে।” বললেন মাওলানা মামুনুল হক।
পরীক্ষার নতুন সময়সূচির কারণে ছাত্রদের পড়ালেখার প্রতি মনযোগের বিচ্যুতে ঘটতে পারে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,আশা করছি, ছাত্রদের মনযোগের বিচ্যুতি ঘটবে না। যদি তারা ধৈর্য হারা না হয়, সেই সাথে তাদের চেষ্টা এবং পড়াশুনা চালিয়ে যায়, তবে তাদের জন্য ভালো ছাড়া খারাপ কিছু হবে বলে মনে করিছ না।
পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ করা বা কোন কর্মসূচি হাতে নেওয়ার বিষয়ে মাওলানা à¦