সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


রোজার কাজা কি লাগাতার রাখতে হবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবদুল্লাহ তামিম

রমজানের কাজা রোজার ব্যাপারে সকল ইমাম একমত যে, কোন ব্যক্তি যে কয়দিনের রোজা রাখতে পারেনি সে কয়দিনের রোজা কাজা করবে। সেটা লাগাতার কোনো গ্যাপ না দিয়ে রাখা জরুরি না। যেভাবে ইচ্ছে রাখা যাবে।

দলিল হচ্ছে আল্লাহর বাণী, আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অসুস্থ থাকবে অথবা সফরে থাকবে সে অন্য দিনগুলোতে এ সংখ্যা পূর্ণ করবে। (সূরা বাকারা, আয়াত: ১৮৫)

এ দিনগুলোর ক্ষেত্রে লাগাতরভাবে রোজা রাখা ফরজ নয়। ইচ্ছা করলে আপনি লাগাতরভাবে রোজা রাখতে পারেন; আবার ইচ্ছা করলে আলাদা আলাদাভাবেও রোজা রাখতে পারেন।

আপনার সাধ্যানুযায়ী প্রতি সপ্তাহে একদিন অথবা প্রতি মাসে একদিন রোজা রাখতে পারেন। পূর্বোক্ত আয়াত দ্বারা এটিই বুঝা যায় । এ আয়াতের মধ্যে কাজা পালনের ক্ষেত্রে লাগাতরভাবে রোজা রাখার কোন শর্ত করা হয়নি। বরং শুধু যে কয়দিন রোজা ভঙ্গ করা হয়েছে সে সম সংখ্যক দিন রোজা রাখা ফরজ করা হয়েছে।

রমজান মাসে যারা অসুস্থ বা পীড়িত, অতিশয় বৃদ্ধ, যাদের দৈহিক ভীষণ দুর্বলতার কারণে রোজা পালন করা খুবই কষ্টদায়ক হয় এবং যারা ভ্রমণে থাকার কারণে সিয়াম পালন করতে পারে না, তাদের জন্য রোজার কাজা, কাফফারা ও ফিদ্ইয়া ইত্যাদি বদলা ব্যবস্থা স্থির করে ইসলামি শরিয়তে সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান রয়েছে।

এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নির্দিষ্ট কয়েক দিনের জন্য তোমাদের মধ্যে কেউ পীড়িত হলে বা সফরে থাকলে অন্য সময় এ সংখ্যা পূরণ করে নিতে হবে। এটা (সিয়াম) যাদের অতিশয় কষ্ট দেয়, তাদের কর্তব্য এর পরিবর্তে ‘ফিদ্ইয়া’ অর্থাৎ একজন অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দান করা। যদি কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৎ কাজ করে, তবে তা তার পক্ষে অধিক কল্যাণকর। ‘যদি তোমরা উপলব্ধি করতে তবে বুঝতে সিয়াম পালন করাই তোমাদের জন্য অধিকতর কল্যাণপ্রসূ।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৮৪)

যেসব কারণে রমজান মাসে রোজা ভাঙ্গা যাবে কিন্তু পরে কাজা করতে হয়
মুসাফির অবস্থায়। রোগ-ব্যাধি বৃদ্ধির বেশি আশঙ্কা থাকলে। মাতৃগর্ভে সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে। এমন ক্ষুধা বা তৃষ্ণা হয়, যাতে মৃত্যুর আশঙ্কা থাকতে পারে। শক্তিহীন বৃদ্ধ হলে। কোনো রোজাদারকে সাপে দংশন করলে। মহিলাদের মাসিক হায়েজ-নেফাসকালীন রোজা ভঙ্গ করা যায়।

যেসব কারণে শুধু কাজা আদায় করতে হয়

স্ত্রীকে চুম্বন বা স্পর্শ করার কারণে যদি বীর্যপাত হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে। পাথরের কণা, লোহার টুকরা, ফলের বিচি গিলে ফেললে। ডুশ গ্রহণ করলে। নাকে বা কানে ওষুধ দিলে (যদি তা পেটে পেঁৗছে)। মাথার ক্ষতস্থানে ওষ