সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা দরকার : ড. আব্দুল লতিফ মাসুম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ছাত্র রাজনীতি। এ দেশ সৃষ্টির পেছনে যাদের রয়েছে অতুলনীয় ভূমিকা। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের আন্দোলন ও বিশেষ করে একাত্তরে বাংলাদেশ সৃষ্টির পেছনে এ দেশের ছাত্র সমাজের প্রশংসনীয় ভূমিকা রয়েছে। তবে দুই যুগ ধরে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে বোদ্ধামহলে চিন্তার ভাঁজ কপালে। ছাত্র রাজনীতি বন্ধ ও সংশোধনে পক্ষে বিপক্ষে মত অভিমত দিচ্ছেন অনেকে। কিন্তু আদর্শিক কোনো পরিবর্তন সেভাবে লক্ষ্য করা যায়নি। যার ফলে অনেকেই ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি তুলেছেন।

বিশেষ করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার পর ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবিদারদের কণ্ঠে জোরালো বক্তব্য এসেছে। তারা মনে করছেন ছাত্র রাজনীতি বন্ধ না করা গেলে হত্যা-খুন ধর্ষণ এগুলো চলতেই থাকবে। চলমান এ সকল বিষয় নিয়ে আমরা কথা বলেছি বিশিষ্ট লেখক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, আলোচক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুমের সঙ্গে। সাক্ষাৎকারে নিয়েছেন  আওয়ার ইসলামের বিশেষ প্রতিবেদক সুফিয়ান ফারাবী। 


আওয়ার ইসলাম: একজন শিক্ষক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতির বিষয়টি কীভাবে দেখেন?

ড. আব্দুল লতিফ মাসুম: বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ছাত্র রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। দেশের রাজনৈতিক শক্তি সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে ছাত্র রাজনীতির ইতিবাচক ভূমিকা ছিল। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অর্জন হয়েছে এই ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে। তা অস্বীকার করা যায় না।

কিন্তু ইদানীং ছাত্র রাজনীতির যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, এটা ছাত্র রাজনীতির জন্য খুবই খুবই খুবই নেতিবাচক দিক। এর কারণ হচ্ছে শাসকদল ছাত্র সমাজকে তাদের ক্ষমতার বাহন এবং ক্ষমতায় টিকে থাকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। এটি শুধুমাত্র ক্ষমতাসীন দলের ক্ষেত্রে নয় বরং অতীতেও সকল সরকার ক্ষমতায় যাওয়া ও ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এই কাজটি করেছে।

ব্যাতিক্রম অবশ্য প্রেসিডেন্ট এরশাদ। ভদ্রলোক ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু চাপের মুখে তিনিও একটি ছাত্র সংগঠন তৈরি করেছিলেন। যদিও সেটা ছিল তার মতের বিরুদ্ধে। যেহেতু তিনি একজন সামরিক সরকার ছিলেন তাই তার সকল কার্যক্রমকে নেতিà¦