রফিকুল ইসলাম: রাস্তাঘাটে চলার সময় দেখা যায়, বেগানা পুরুষ নারীকে সালাম দিচ্ছেন আবার বেগানা নারী পুরুষকে সালাম দিচ্ছেন? এটা নিয়ে আমাদের মনে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। আবার অনেককে বলতে শোনা যায়, বেগানা নারীদের সালাম দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশনা কী? আসুন জেনে নেই- নারী-পুরুষের সালাম বিষয়ক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা।
১. প্রশ্ন: নারীদেরকে সালাম দেওয়া যাবে কি না? তারা যদি সালাম দেয় তাহলে কি তার জওয়াব দেওয়া যাবে? বিশেষত মোবাইলে কথা বলার সময় অনেক নারীই সালাম দেয় তাদের সালামের জওয়াব দেওয়া যাবে কি না? (প্রশ্নকারী- ইমরান হুসাইন - সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম)
উত্তর: গায়রে মাহরাম নারীদের সাথে বিনা প্রয়োজনে সালাম আদান প্রদান করা যাবে না। যেমন, পথে চলাচল করা অবস্থায় তাদেরকে সালাম দেওয়া যাবে না। তেমনি তারা সালাম দিলে তার উত্তর শুনিয়ে দেওয়া যাবে না।
হাঁ, কোনো প্রয়োজনে তাদের সাথে কথা বলতে হলে পর্দা রক্ষা করে কথা বলবে এবং এক্ষেত্রে সালামের মাধ্যমে কথা শুরু করাটাই উত্তম। এমনিভাবে মোবাইলে কথা বলার সময়ও সালাম আদান প্রদান করা যাবে। আর মাহরাম নারীদের সাথে সর্বাবস্থায় সালাম আদান প্রদান করা যাবে।
তথ্যসূত্র: -মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ২৬৩০০; মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ১৯৪৪৯; মিরকাতুল মাফাতীহ ৮/৪৬৮; আননাহরুল ফায়েক ১/২৭১; রদ্দুল মুহতার ১/৬১৬
২. প্রশ্ন: রাস্তা-ঘাটে অনেক সময় বেগানা মহিলারা পরপুরুষকে সালাম দেয়। এক্ষেত্রে তাদের সালামের জবাব দেওয়ার হুকুম কী? (প্রশ্নকারী-মুহাম্মাদ আবু হাসিব - ইটনা, কিশোরগঞ্জ)
উত্তর: এভাবে বিনা প্রয়োজনে পর পুরুষকে সালাম দেওয়া ঠিক নয়। তাই কোনো মহিলা এভাবে পরপুরুষকে সালাম দিলে তার সালামের জবাব দিবে না। তবে মনে মনে জবাব দিতে পারবে। প্রকাশ থাকে যে, পরপুরুষের সাথে কোনো বেগানা মহিলার কথা বলার প্রয়োজন হলে তখন কথার শুরুতে সালাম আদান-প্রদান করতে পারবে।
এক্ষেত্রে পর্দার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া পরপুরুষের সাথে কথা বলার যে আদব কুরআন মজীদে আছে তার প্রতি লক্ষ্য রাখবে। অর্থাৎ কোমলতা পরিহার করে স্বাভাবিকভাবে শুধু প্রয়োজনীয় কথা বলবে।
তথ্যসূত্র: -ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৮; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/২৩; রদ্দুল মুহতার ৬/৩২৯; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩২৬; ফাতাওয়া সিরাজিয়া ৭২
৩. প্রশ্ন: আমরা (নারীরা) যখ