সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


আকাবিরের ওপর স্মারকগ্রন্থ প্রকাশের ধারা ও কিছু কথা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জহির উদ্দিন বাবর ।।

এই মুহূর্তে আমার পড়ার টেবিলে সদ্য প্রকাশিত দুটি স্মারকগ্রন্থ শোভা পাচ্ছে। একটি আল্লামা আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া রহ.-এর ওপর। জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত গবেষক এই আলেম দুই বছর আগে ইন্তেকাল করেন। অপর স্মারকগ্রন্থটি মাওলানা মনজুরুল হক রহ.-এর ওপর। তিনি ময়মনসিংহ অঞ্চলে ব্যাপক পরিচিত ছিলেন। ময়মনসিংহের প্রথম সারির বেশ কয়েকটি দীনি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে তাঁর হাতে। ইন্তেকালের প্রায় ২৮ বছর পর তাঁর স্বজনরা স্মারকগ্রন্থটি প্রকাশ করেছেন।

দুটি স্মারকগ্রন্থই মাসখানেকের মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে আবুল ফাতাহ ইয়াহইয়া রহ.-এর স্মারকগ্রন্থটি ৭১২ পৃষ্ঠার। এ যাবতকালে প্রকাশিত বড় স্মারকগ্রন্থগুলোর একটি। আর মনজুরুল হক রহ.-এর স্মারকটি ৩১২ পৃষ্ঠার। সাইজে বড় না হলেও গ্রন্থটি বেশ গোছালো এবং বিষয়সমৃদ্ধ। দুজন বিশিষ্ট আলেমের ওপর কাছাকাছি সময়ে প্রকাশিত দুটি স্মারকই আমাকে মুগ্ধ করেছে। তাদের স্বজন, ভক্ত-অনুরাগী এবং স্মারকের সঙ্গে যুক্ত সবার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।

আমাদের দেশে বিশিষ্ট আলেম-মনীষীদের ওপর স্মারকগ্রন্থ প্রকাশের ধারা খুব বেশি দিনের নয়। সম্ভবত সর্বপ্রথম মুজাহিদে আযম আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী রহ.-এর ওপর স্মারকগ্রন্থ প্রকাশিত হয় মিরপুরের মাদরাসা দারুর রাশাদ থেকে। সেটা প্রায় ২০ বছর আগে। ছদর সাহেবের প্রতি একান্ত মুগ্ধ মাদরাসা দারুর রাশাদের প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মাদ সালমান তাঁর তত্ত্বাবধানে স্মারকগ্রন্থটি করেন।

এরপর বিষয়-বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ স্মারকগ্রন্থ হচ্ছে হজরত হাফেজ্জী হুজুর রহ.-এর ওপর প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থটি। হাফেজ্জী হুজুরের স্বজন ও ভক্ত-অনুরাগীদের তত্ত্বাবধানে পুরো কাজটি সম্পন্ন করেন আমাদের অগ্রজ ও প্রিয় ব্যক্তিত্ব মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ। পরবর্তী সময়ে তিনি ময়মনসিংহের বড় হুজুর খ্যাত মাওলানা ফয়জুর রহমান রহ.-এর ওপর মাঝারি সাইজের একটি স্মারকগ্রন্থও সম্পাদনা করেন।

যতদূর মনে পড়ে এই ধারাবাহিকতায় আল্লামা ইসহাক ফরিদী রহ. স্মারকগ্রন্থ, আল্লামা আবুল হাসান আলী নদভী রহ. স্মারকগ্রন্থ, মাওলানা আবু সাঈদ মুহাম্মদ ওমর আলী রহ. স্মারকগ্রন্থ, খতিব মাওলানা উবায়দুল হক রহ. স্মারকগ্রন্থ, আল্লামা কাজী মু’তাসিম বিল্লাহ স্মারকগ্রন্থ, আরজাবাদের হাফেজ ফয়জুর রহমান স্মাà