সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


ঢাকা সিটি নির্বাচন: কতটা আশাবাদী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুফিয়ান ফারাবী
বিশেষ প্রতিবেদক

ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে আগামী ৩০ জানুয়ারি। এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আগামী ৩১ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়াও নির্বাচনী মাঠে থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টিসহ আরো কিছু দল।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। উত্তর সিটিতে আতিকুল ইসলাম আর দক্ষিণে শেখ ফজলে নূর তাপসকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

বিএনপি থেকে ঢাকা উত্তরের প্রার্থী হচ্ছেন থাবিত আউয়াল। ঢাকা দক্ষিণে প্রার্থী হচ্ছেন অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক। ইতিমধ্যে বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গণমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন।

অন্যদিকে মাঠে সরব ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-ও। সর্বপ্রথম তারাই মনোনয়ন চূড়ান্ত করে প্রার্থী ঘোষণা দেন। ঘোষণা অনুযায়ী ঢাকা উত্তরের হাতপাখা প্রতীকে লড়বেন অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ, অন্যদিকে দক্ষিণে আলহাজ্ব আব্দুর রহমান।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুই মেয়র পদপ্রার্থী বেশ জোরালো প্রচারণা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে কাজ করছেন। গতকাল তারা নির্বাচন অফিসে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। পরিপূর্ণ নির্বাচনী মেজাজে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তারা। দলটির কেন্দ্রীয় মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ মনে করছেন, স্থানীয় নির্বাচন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

তিনি বলেন, “গত সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন যে সমালোচনার মুখে পড়েছে, সেই দুর্নাম কাটিয়ে উঠতে নিরপেক্ষ নির্বাচন তারা দিতে পারে। তাদের উচিত একটি ফেয়ার ইলেকশন দিয়ে জনগণের মাঝে আস্থা তৈরি করা। আর যদি তারা বরাবরের মতো এবারেও ভোট ডাকাতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাহলে ইতিহাসের কালো অধ্যায়ে তাদের নাম থেকে যাবে।”

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার কারণ জানতে চাইলে ইউনুস আহমেদ বলেন, “আমাদের প্রধান টার্গেট থাকবে যেকোন মূল্যেই হোক নির্বাচনে জয়ী হওয়া। নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন কমিশনের কারণে যদি কোনভাবে সেটা নাও হয় তবুও এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রার্থীদের একটা সম্পর্ক তৈরি হয়। নির্বাচন হলো জà¦