সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮


তাবলিগ: আলেমদের তত্ত্বাবধানেই নিরাপদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জহির উদ্দিন বাবর ।।

কহর দরিয়া খ্যাত টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে আজ থেকে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমা। এবারের ইজতেমা অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর এক-দুদিন আগে থেকেই ইজতেমা মাঠ কানায় কানায় ভরে যায় তাবলিগের সাথীদের দ্বারা। মূল মাঠে জায়গা না পেয়ে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসা হাজার হাজার দীনপ্রেমী মুসলিম আশ্রয় নিয়েছেন আশপাশের নানা জায়গায়। এবার ইজতেমায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে যে স্বতস্ফূর্ততা লক্ষ্য করা গেছে তা গত কয়েক বছর ধরে অনেকটা অনুপস্থিত ছিল।

তাবলিগ জামাত ও ইজতেমাকে কেন্দ্র করে গত কয়েক বছর ধরে লোক-হাসানোর মতো ঘটনা কম ঘটেনি। যারা তাবলিগ জামাতকে পছন্দ করেন না তারা এসব ঘটনায় ভেতরে ভেতরে খুশিতে আটখানা হয়েছে। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর টঙ্গীর ময়দানে যে হিংস্র ও নৃশংস ঘটনা ঘটে সেটার ক্ষত সারাতে আরও অনেক দিন লাগবে। আমাদের আস্থা ও ভালোবাসার যে চূড়ায় তাবলিগ জামাতের অবস্থান ছিল সেটাকে অনেকটা ক্ষুণ্ন করেছেন এই কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ কেউ। আল্লাহর জন্য নিবেদিত একটি জামাত নিয়ে এতোটা জল ঘোলা না করলেও হতো।

তবে অতীতে যাই হয়ে থাকুক, তাবলিগ জামাত যেন নেতিবাচক কোনো খবরের শিরোনাম আর না হতে হয় সেই প্রত্যাশা থাকবে সবার। শুরায়ি সিস্টেম বলুন আর এমারতের ভিত্তিতে বলুন সবই হলো এই কাজের শৃঙ্খলার জন্য। মূল কাজ হলো ইখলাস ও লিল্লাহিয়াতের সঙ্গে আল্লাহর দুনিয়ায় তার দীনের প্রচার ও প্রসার।

তাবলিগ জামাতের এতো মাকবুলিয়তের মূল কারণই হলো ইখলাস ও লিল্লাহিয়াত। এখন কোনো কারণে কারও কারও মধ্য থেকে এই গুণটি বিদায় নিলে এই কাজের আর প্রাণ বাকি রইল কই! এজন্য আমরা যাই করি তাবলিগ জামাতের মূল প্রাণটি যেন অক্ষুণ্ন থাকে সেই চেষ্টাটা সবার থাকা উচিত।

আমি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকি আর না থাকি, ইলহামি এই কাজটি যেন আমার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটা সবাইকে বিবেচনা করতে হবে। আল্লাহর দীনের প্রচার-প্রসার যেমন জরুরি তেমনি জরুরি হলো এই দীনকে ফেতনা-ফাসাদ থেকে রক্ষা করা। আমরা দীনের প্রচার-প্রসারের নামে নতুন ফেতনার যেন জন্ম না দিই সেটা সবার আগে বিবেচনায় রাখি।

আমাদের দেশে ধর্মীয় যেসব উপলক্ষ্য সমগ্র জাতিকে ছুঁয়ে যায় এর অন্যতম বিশ্ব ইজতেমা। এটি তাবলিগ জামাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ইজতেমা হলেও জাতীয়ভাবে নানা পর্যায়ে এর প্রভাব রয়েছে। আমাদের দেশের গণমাধ্যম অন্যান্য ধর্মীয় উপলক্ষ্যকে তেমন গুরুত্ব না দিলেও ইজতেমাকে বিশে