সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


মরু পেসেঞ্জারের পাঠ উন্মোচণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম আয়োজিত কবি-লেখকদের পিঠাপুলি উৎসব ও ভিপি বশিরকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উন্মোচিত হয়েছে মরু পেসেঞ্জার।

গত মঙ্গলবারের (১৪ জানুয়ারি) এ অনুষ্ঠানে লেখকদের সম্মানে পিঠাপুলি উৎসব ছিলো দেখার মত। অনুষ্ঠানে নন্দিত লেখক মাসউদুল কাদিরের নতুন বই ‘মরু পেসেঞ্জার’ এর পাঠ উন্মোচন করা হয়।

বই পাঠ করেন, হালাল মিডিয়ার পরিচালক কবি সুলাইমান সাদী। বইয়ের উপর আলোচনা করেন, কবি ও নজরুল গবেষক মহিউদ্দিন আকবর।

তিনি বলেন, মাসউদুল কাদির আমার অত্যন্ত প্রিয়ভাজন, যিনি মরু প্যাসেঞ্জার লিখেছেন। কে যেনো বলেছিল মরুর ড্রাইভার হয়ে মরু মরু প্যাসেঞ্জার লিখেছেন তিনি। গাড়ি যাচ্ছে মরুভূমির দিকে। ড্রাইভারের ভূমিকা পালন করেছেন মরু প্যাসেঞ্জার। একত্রিশটি গল্প নিয়ে বইটি মলাটবদ্ধ করেছেন মাসউদুল কাদির।

টাইটেল গল্পটি আমি কথা বলতে চাই। টাইটেল গল্পটি হলো মরু প্যাসেঞ্জার। এ গল্পটি একজন আলেম কাবার মুসাফিরের গল্প এঁকেছেন তিনি। সুলাইমান কাতানী নামে একজন আলেমের কাবার সফরের ছায়া অবলম্বনে গল্পটি তৈরী করেছেন মাসউদুল কাদির। গল্পটি অসাধারণ সুন্দর হয়েছে। যেখানে ছিল ডাকাতের আস্তানা, যা কুসংস্কার প্রচলিত ছিল, মূলত কুসংস্কার তৈরী করেছে ডাকাতেরা। তারা বাড়ি বাড়ি লুণ্ঠন করে, মানুষ হত্যা করে ওই বাড়িতে এনে ফেলে রাখে।

স্বাভাবিকভাবেই মানুষের ধারণা হয় ওই বাড়িটি ভূত প্যাতের আস্তানা। মানুষ ভয়ে যায় না ওই বাড়িতে। কিন্তু একজন মরুর প্যাসেঞ্জার যার অভিষ্ঠ লক্ষ্য ছিল তিনি কাবা শরিফ যাবেন। মক্কা যাবেন। সেখানে গিয়ে হজ পালন করবেন। আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করবেন। এই ব্যক্তিটি এই গ্রামে এসেছেন অতিথি হিসেবে ওই আস্তানায় ঢুকে গেছেন। সেখানেই ঘটলো ঘটনা। সেখানে ডাকাত দলের সদরদাররা মাওলানা সুলেমান কাতানীর আচার আচরণে, বাক্যবানে অস্থির হয়ে শেষ পর্যন্ত নিজেরা আত্মসমর্পণ করে এবং দীনের পথে ফিরে আসে। মরু প্যাসেঞ্জার গল্পের এই আসল ব্যক্তিটি হলেন একজন আলেম, একজন মৌলভী।

মাসউদুল কাদিরের এই একটি গল্প পাঠ করে সহজেই বুঝতে পেরেছি বাকি গল্পগুলো কী হতে পারে। আকলমন্দ কে লিয়ে ইশারা কাফি আস্ত।

একটা সময় আমরা মনে করতাম, হুজুরদের লেখাতো হবে মাসআলা মাসাইল- ফতোয়া। এখন পর্যন্ত আমাদের সমাজের ধারণা এটাই, আলেমগণ মাসআলা মাসাঈল, হাদিস, তাফসির ইত্যাদি বিষয়ে লিখে থাকেন। মূল সাহিত্যে, মৌলিক সৃজনশীল লেখায় তাদের উপস্থিতি কম। এই ধারণা ভেঙে দেয়ার জন্য এখন অনেক কলম সà§