সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


৯ বছরে পা দিলো রকমারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আজ থেকে ৮ বছর আগে বাংলাদেশের মানুষ তখন ইন্টারনেটের সাথে মাত্র কিছুটা পরিচিত হওয়া শুরু করেছে। অনলাইনে কেনাকাটা বিষয়টা জনপ্রিয় তো ছিলই না বরং অনেকের জন্য ছিল অবাক করা কিংবা অবাস্তব একটা ব্যাপার। সে সময় অন্যরকম গ্রুপের কর্ণধার মাহমুদুল হাসান সোহাগ প্রতিষ্ঠা করলেন রকমারি ডট কম।

সেই সময়ের প্রেক্ষিতে ব্যাপারটা এতটাই অদ্ভুত ছিলো যে, তার সাথে মানুষের মানিয়ে নিতে বেশ সময় লেগেছে। ‘ইন্টারনেট থেকে বই কিনবো, ঠিকমত ডেলিভারি দেবে তো?’, ‘বাজে কোয়ালিটির বই গছিয়ে দেবে না তো?’, নানারকম সংশয় ছিলো মানুষের মধ্যে। সংশয় এবং কৌতূহলের মিশ্রিত অনুভূতি নিয়ে কিছু মানুষ কেনা শুরু করলেন বই। তার পরের গল্পটা সুন্দর। রকমারি নিজেদের প্রচারণা যতটা করেছে, মানুষ তার চেয়ে বেশি করে দিয়েছে। বইপড়ুয়া মানুষরা নিজেদের মধ্যে আলাপে রকমারির প্রসঙ্গ তুলবে না, এমন ঘটনা কমই ঘটেছে!

এখন রকমারির বয়স ৮ বছর!! এই সময়ের মধ্যে পৃথিবীতে অনেক বদল হয়ে গেছে। অনেক প্রতিষ্ঠানই হারিয়ে ফেলেছে জৌলুস, অনেকেই তাদের অস্তিত্ব নিয়ে সংকটে রয়েছে, কাগজের বইয়ের বদলে অনেকেই ই-বুক, পিডিএফ পড়ছেন, এর মধ্যেও রকমারি নিজেদের জানান দিয়ে যাচ্ছে প্রবলভাবে।

আট বছর আগের এই দিনে, এই ১৯শে জানুয়ারি রকমারি যখন যাত্রা শুরু করেছিলো, তখন বাংলাদেশে কোন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ছিলো না। আর আজ জীবনধারণের জন্যে প্রয়োজনীয় সবকিছুই অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায়। সেই দিক থেকে রকমারিকে বাংলাদেশের ই-কমার্স আন্দোলনের অগ্রদূত বলাটা বাতুলতা হবে না মোটেও!

রকমারির Vision খুব সাধারণ। মানুষকে বই পড়তে উৎসাহিত করা, ৫৬ হাজার বর্গমাইলে বই পৌঁছে দেয়া। বই কোন নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু নয়। তারপরেও মানুষ রকমারি থেকে বই কিনছে, এবং মানুষের কাছে বই পৌঁছে দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তাদের অন্ন সংস্থান করছেন এটি আশাবাদ জাগায়।

আট বছরে রকমারি কেন ঝরে গেলো না? রকমারির সাফল্যের রহস্য কী? এই প্রশ্নের উত্তরে অনেক জটিল বিশ্লেষণাত্মক কথাবার্তা বলতে পারেন অনেকেই, তবে একটা কথা মনে হয় বলাই যায়। রকমারি টিকে আছে তার Vision এর জন্যে। এখানকার কর্মীরা বিশ্বাস করেন তারা পণ্য বিক্রয় করছেন না, মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন জ্ঞান, ছড়িয়ে দিচ্ছেন নানারকম অনুভূতির পসরা।

রকমারি যে শুধà