কওমি মাদরাসা থেকে ফারেগ আলেমকে সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজের ধর্ম শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হোক-এমন একটি দাবি দিনদিন বেশ জোরালো হচ্ছে। এর আগে জাতীয় সংসদের এক অধিবেশনেও এমন একটি দাবি জানান ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন। সাধারণ মানুষ ও আলেম-ওলামাদের এ দাবিকে ওলামায়ে কেরাম কীভাবে দেখছেন? সরকারি সার্টিফিকেট, যথাযথ মূল্যায়ন ও পর্যাপ্ত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কওমি মাদরাসার আলেমদের এ ধরণের সুযোগ কেন দেওয়া হচ্ছে না? এসব নিয়ে কথা হয় চিন্তক তিন আলেমের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের বার্তা সম্পাদক রকিব মুহাম্মদ।
সরকারি স্কুল-কলেজগুলোতে ধর্ম শিক্ষার গুরুত্ব ও মর্যাদা খুবই অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে বলে মনে করছেন দেশের প্রখ্যাত ওয়ায়েজ, আলেম শিক্ষাবিদ জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার শাইখুল হাদীস ও এশিয়ান ইউনিভার্সিটির খণ্ডকালীন শিক্ষক মাওলানা মামুনুল হক।
তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে কওমি মাদরাসার আলেমরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেও খুব বড় ধরণের ভূমিকা তারা রাখতে পারবেন বলে আমার মনে হয় না। ধর্ম শিক্ষাকে জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে আরও বেশি গুরুত্বের জায়গায় রেখে এ বিষয়ে ভাবা উচিৎ। এর জন্য নম্বরের ব্যবস্থা অর্থাৎ ইসলাম শিক্ষার বিষয়গুলোকে পূর্ণমান একশ’ করা উচিৎ।
তবে এই পরিস্থিতিতেও কওমি মাদরাসার আলেমরা যদি স্কুল-কলেজগুলোতে নিয়োগ পায় তবে শিশু-কিশোরদের জন্য স্কুল-কলেগুলোতে ধর্মীয় শিক্ষার পরিবেশ ধীরেধীরে উন্নতির দিকে যাবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন মাওলানা মামুনুল হক।
তিনি বলেন, সাধারণ শিক্ষাঙ্গণগুলোতে ধর্ম শিক্ষা নিয়ে একটা যাচ্ছেতাই অবস্থার চলমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরোণ পেতে কওমি আলেমদের এ সেক্টরে সম্পৃক্ত হওয়া খুবই জরুরি বলে মনে করছি। তারা এই সেক্টরে সংযুক্ত হলে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার এই লেজেগোবরে অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। ওলামায়ে কেরাম শিক্ষার্থীদেরকে ধর্ম বিষয়ক উন্নত ও উপযুক্ত শিক্ষাটা দিতে পারবে।
‘শুধু ওলামায়ে কেরামের কর্মসংস্থানের জন্যই নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নেও আলেমদের এ পদে নিয়োগ দেওয়ার দাবিটি পূরণে সরকারের কার্যকর ভূমিকা থাকা উচিৎ।‘ যোগ করেন মাওলানা মামুনুল হক।
ধর্ম শিক্ষক হিসেবে কওমি আলেমদের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব এবং তুলে ধরলেন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের কলামিস্ট, জনপ্রিয় ওয়ায়েজ ও খতিব মাওলানা যুবায়ের আহমদ।
তার মতে, আলেমদের সরà¦