সুফিয়ান ফারাবী
বিশেষ প্রতিবেদক
করোনা আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে ইতিমধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত ৪৪ জন। এ ছাড়াও বিভিন্ন হাসপাতালে ও নিজ বাসায় কোয়ারেন্টিনে আছেন অসংখ্য মানুষ। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জনসমাগম বা গণজমায়েত এড়িয়ে চলার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নিয়মিত সর্বোচ্চ গণজমায়েত হয় প্রতি সপ্তাহে জুমার নামাজে। মানুষের উপচে পড়া ভিড় হয় মসজিদে মসজিদে। গণজমায়েতই যখন করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রধান কারণ, এমন সময়ে কেমন হওয়া উচিত জুমার নামাজ- এ বিষয়ে কথা হয় বিজ্ঞ আলেমদের সঙ্গে।
তারা বলছেন, মুসল্লিরা ওজু, সুন্নত ও সর্বপ্রকার নফল নামাজ আদায় করবে ঘরে। জামে মসজিদে শুধু জুমার দু’রাকাত নামাজ ও খুৎবা হতে পারে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক শাইখুল হাদিস ড. মুশতাক আহমদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জুমার নামাজকে শুধু ফরজের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা জরুরি। জুমার দুই রাকাত নামাজ এবং খুতবার চেয়ে বেশি কিছু করার প্রয়োজন এ মুহূর্তে নেই।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পাকিস্তান ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যের সব আলেম জুমা সীমিত করার পক্ষে মত দিচ্ছেন। যতটুকু না হলে জুমা আদায় হয় না, ততটুকু পালন করে বাকি অন্যান্য সুন্নত ও নফল ইবাদত ঘরে আদায় করবে। বাংলায় যে বয়ানটি করা হয়, সেটা কোনো জরুরি বিষয় নয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর প্রয়োজনীয়তাও নেই।
‘এ ছাড়াও আরবিতে যে খুৎবা প্রদান করা হয় সেটিও অতি সংক্ষিপ্ত করতে হবে। সংক্ষিপ্ত খুৎবা এমন হতে পারে- সেখানে, হামদ, দুরুদ, কুরআনের আয়াত, দোয়া থাকবে। অর্থাদ, যতটুকু না হলেই নয় এতটুকু পড়তে হবে।’ যোগ করেন ড. মুশতাক।
তিনি আরও বলেন,‘ মানুষের নিত্যপ্রয়োজন মেটাতে যেমন বাজার খোলা রাখতে হয়, তেমনিভাবে মানুষের আধ্যাত্মিক চাহিদা মেটাতে মসজিদও খোলা রাখতে হবে। মসজিদে আজান নামাজ সবকিছু চলবে। মসজিদ রোগ বহন করে না। রোগ বহন করে মানুষ। সুতরাং আমরা মসজিদে নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করে মানুষকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করব।’
‘কিন্তু আমরা যারা আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বোধ করছি, অথবা আক্রান্ত হয়েছি, তারা কোনোক্রমেই মসজিদে আসব না। এমনকি যেখানে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে, এমন স্থানে গমনাগমনও পরিহার করতে হবে।’
‘আপনার দ্বারা আপনার পরিবার-পরিজন অথবা অন্য যে কোনো মানুষ আক্রান্ত হোক এটা যেমনিভাবে আপনি চান না, ঠিক তেমনিভাবে শরীয়তও এà